পেশাদারিত্ব ও মানবিকতায় সুনামগঞ্জবাসীর আস্থার কেন্দ্রে ওসি রতন শেখ পিপিএম
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক ও চোরাচালান দমন, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ পিপিএম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করছেন। তাঁর পেশাদারিত্ব, সাহসী নেতৃত্ব, নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালন এবং জনবান্ধব পুলিশিং স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। ফলে সুনামগঞ্জবাসীর কাছে তিনি ধীরে ধীরে একজন আস্থাভাজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, ওসি রতন শেখ পিপিএমের নেতৃত্বে নিয়মিতভাবে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান, চোরাচালান প্রতিরোধ, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার, ওয়ারেন্ট তামিল এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এসব অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার, একাধিক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার এবং বিভিন্ন অপরাধ চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় পুলিশের নজরদারি বৃদ্ধি পাওয়ায় চোরাচালান প্রতিরোধে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতার কারণে অপরাধীদের চলাচল ও অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা আগের তুলনায় অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।
অপরাধ দমনের পাশাপাশি জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন ওসি রতন শেখ পিপিএম। থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের অভিযোগ গুরুত্বসহকারে শুনে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে মানবিক আচরণ এবং সেবার মান উন্নয়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে থানায় সেবা নিতে আসা মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একজন পুলিশ কর্মকর্তার মূল দায়িত্ব শুধু অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা নয়; বরং জনগণের আস্থা অর্জন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং সমাজে নিরাপত্তাবোধ সৃষ্টি করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এসব ক্ষেত্রেই ওসি রতন শেখ পিপিএম দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত কার্যক্রমের কারণে সাধারণ মানুষ পুলিশের প্রতি আগের তুলনায় আরও বেশি আস্থা রাখতে শুরু করেছেন।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের একক প্রচেষ্টার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতাও অত্যন্ত জরুরি। জনগণ যদি অপরাধ সম্পর্কে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করে এবং আইন মেনে চলার বিষয়ে সচেতন থাকে, তাহলে মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধ আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
তাদের ভাষ্য, ওসি রতন শেখ পিপিএম যেভাবে পেশাদারিত্ব, সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন, সেই ধারা অব্যাহত থাকলে সুনামগঞ্জে আরও নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত পরিবেশ গড়ে উঠবে। একই সঙ্গে পুলিশ ও জনগণের পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।