সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে ছাত্রদল নেতা সেলিমের গণসংযোগ
নিজস্ব সংবাদদাতা।।
সিলেট-৪ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ভোটারদের কাছে প্রার্থীর উন্নয়ন ভাবনা ও নির্বাচনী বার্তা তুলে ধরেন।
সিলেট এমসি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ২য় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিম উদ্দিনের উপস্থিতিতে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সিলেটের ৬ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর বাজার এলাকায় এই লিফলেট বিতরণ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বাজার ও আশপাশের এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গণসংযোগ পরিচালনা করা হয়।
কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন ৬ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য দেলোয়ার হোসাইন। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন সেলিম উদ্দিন এবং সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।
লিফলেট বিতরণকালে প্রার্থীর নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে সিলেট-৪ আসনের প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদের পরিকল্পিত ও কার্যকর সদ্ব্যবহার এবং বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। নেতাকর্মীরা জানান, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।
কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ৬ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক তালহা আহমদ ওলি, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল, ৫ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ৬ নম্বর ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা পাবেল আহমদ, সিলেট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন ও ইবজাল আহমদ, এমসি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিধান পাত্র, দিলদার হোসেন সেলিম স্মৃতি পরিষদের সভাপতি জাহিদ আহমদ এবং এমসি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সালমান আহমদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
নেতাকর্মীরা বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রেখে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে প্রার্থীর ভাবনা তুলে ধরাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ কর্মসূচিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
শেষ পর্যন্ত এই লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সিলেট-৪ আসনে একটি শান্তিপূর্ণ, সচেতন ও দায়িত্বশীল নির্বাচনী সংস্কৃতির ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যা গণতন্ত্রের ধারাবাহিক চর্চাকে আরও দৃঢ় করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।