logo
চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
শিক্ষা ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:৫৮ অপরাহ্ন চ্যানেল জৈন্তা নিউজ

এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪ হাজার ৫৮৫

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:৫৮ অপরাহ্ন শিক্ষা
চ্যানেল জৈন্তা নিউজ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস ৪ হাজার ৫৮৫

অনলাইন ডেস্ক :

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পুনঃনিরীক্ষণের পর ফেল থেকে পাস করেছেন ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী। একই সঙ্গে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯ জন। এ ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে ফল পরিবর্তন হয়েছে আরও শিক্ষার্থীর।


বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়। একই সময়ে আবেদনকারীদের দেওয়া মুঠোফোন নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানানো হয়েছে। নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও ফল জানা যাচ্ছে।


এর আগে গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। মূল ফল প্রকাশের ৩১ দিন পর পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হলো। আর পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শেষ হয়েছিল ১৭ আগস্ট রাতে।


এবার এসএসসি ও সমমানের ফল পুনঃনিরীক্ষণে রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন। একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে পারায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায় মোট আবেদনের সংখ্যা বেশি হয়েছে।


সব মিলিয়ে লিখিত পরীক্ষার ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা হয়। অর্থাৎ, মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়ে।


বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছিলেন, এবার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথমবারের মতো আবেদন করা উত্তরপত্রগুলো পুনঃনিরীক্ষণের পাশাপাশি পুনর্মূল্যায়নও করা হয়েছে।


আগের নিয়মে পুনঃনিরীক্ষণের সময় মূলত উত্তরপত্রে নম্বর যোগে কোনো ভুল হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হতো। তবে এবার আবেদন করা উত্তরপত্র পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়েছে।


বোর্ডভিত্তিক হিসাবে এবার সবচেয়ে বেশি পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন পড়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষার ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ৫৮ হাজার ১২টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন।


এ ছাড়া কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৩৫ হাজারের বেশি, রাজশাহীতে ৩৯ হাজারের বেশি, যশোরে ২৮ হাজারের বেশি, চট্টগ্রামে ৩৯ হাজারের বেশি, বরিশালে ১৭ হাজারের বেশি, সিলেটে ২০ হাজারের বেশি, দিনাজপুরে ৩৭ হাজারের বেশি এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ২৭ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন।


মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজারের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন।


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত ১৯ বছরের মধ্যে এটি ছিল সর্বনিম্ন পাসের হার। মূল ফল প্রকাশের পর অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করেন। রেকর্ডসংখ্যক আবেদনের পর বৃহস্পতিবার সেই পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হলো।

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ · https://channeljaintanews24.com/top-news/17552
Page of