logo
চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
সারাদেশে ০২ নভেম্বর ২০২৬ ০৬:১৮ অপরাহ্ন চ্যানেল জৈন্তা নিউজ

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুদ ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট; দৈনিক মিলতে পারে দেড় কোটি ঘনফুট

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ ০২ নভেম্বর ২০২৬ ০৬:১৮ অপরাহ্ন সারাদেশে
চ্যানেল জৈন্তা নিউজ ০২ নভেম্বর ২০২৬ ০৬:১৮ অপরাহ্ন
নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুদ ৯৭.৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট; দৈনিক মিলতে পারে দেড় কোটি ঘনফুট

নোয়াখালী :

দেশের জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। কূপটির দুটি জোনে প্রায় ৯৭ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) গ্যাসের মজুদ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে কূপটির খননকাজ শেষে অগ্নিপ্রজ্বালনের মাধ্যমে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার ধারণা জানানো হলেও পরবর্তী প্রতিবেদনে বাপেক্সের বরাতে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।


বাপেক্সের ডিলিং ইনচার্জ রকিবুল হাসান গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে কূপটিতে খননকাজ চলছিল। খননকাজ শেষে আগুনের শিখা জ্বালিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। তবে অতিরিক্ত উত্তাপের কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে পরে আগুনের শিখা বন্ধ করে দেওয়া হয়।


তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাঁদের উপস্থিতিতে পুনরায় আগুনের শিখা জ্বালানো হবে।


সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাপেক্সের বিজয়-১০ রিগ ব্যবহার করে গত ৮ জুলাই সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপের খননকাজ শুরু হয়। প্রায় ৩ হাজার ২৮৯ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খনন শেষে কূপটির দুটি পৃথক জোনে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়।


বাপেক্সের হিসাব অনুযায়ী, কূপটিতে প্রাপ্ত গ্যাসের আনুমানিক মজুদ ৯৭ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট। ভোক্তা পর্যায়ের হিসাবে এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২০ বছর পর্যন্ত কূপটি থেকে গ্যাস উত্তোলনের সম্ভাবনা রয়েছে।


তবে কূপটির প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা, গ্যাসের গুণগত মান এবং অন্যান্য খনিজ পদার্থের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) ও পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম চালানো হবে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিন এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে পারে।


নতুন এই গ্যাসের সন্ধান দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। পরীক্ষার ফলাফল ও পরবর্তী উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে কূপটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন এবং জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের বিষয়টি।

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ · https://channeljaintanews24.com/top-news/18550
Page of