সিলেটে ৩৫ লাখ টাকার চুরির ঘটনায় সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার ১
সিলেট:
সিলেট নগরের শাহপরান (রহ.) থানাধীন দাসপাড়া এলাকায় একটি বসতঘর থেকে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার, রৌপ্য অলংকার ও নগদ টাকা চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম আল আমিন (৩৩)। তিনি সিলেটের শাহপরান থানাধীন বালুটিকর খাদিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
গত ২৩ অক্টোবর রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানাধীন পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ডাবর পয়েন্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি-৯-এর সিলেট সদর কোম্পানি ও সুনামগঞ্জের সিপিসি-৩-এর একটি যৌথ অভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
এসআরবি-৯-এর ২৪ অক্টোবর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার বাদী উম্মাহ পরভীন (কলি) সিলেটের শাহপরান থানাধীন দাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা। গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া ভ্রমণের উদ্দেশ্যে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। তাঁর অনুপস্থিতির সুযোগে পরদিন ১৪ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে বসতঘরের টিনের চাল খুলে ভেতরে প্রবেশ করে।
পরে ঘরের ভেতরে থাকা আলমারি ও শোকেসের ড্রয়ার ভেঙে সেখানে সংরক্ষিত মূল্যবান স্বর্ণালংকার, রৌপ্য অলংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য ৩৫ লাখ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে বসতঘরে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরদের ঘরে প্রবেশের বিষয়টি দেখতে পান বাদী। ঘটনাটি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর ভাইদের অবহিত করেন। পরে দেশে ফিরে তিনি শাহপরান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অজ্ঞাতনামা আসামিদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৯-এর সিলেট সদর কোম্পানি ও সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের যৌথ দল অভিযান চালিয়ে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তাঁর বিরুদ্ধে শাহপরান থানায় দায়ের করা মামলা নম্বর ১৮, তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬; দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৪৫৭/৩৮০ ধারায় মামলা রয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এসআরবি-৯-এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।