শায়খ ইমদাদুল্লাহর ইন্তেকালে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর গভীর শোক
জৈন্তা নিউজ ডেস্ক :
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জামেয়া ইসলামিয়া কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিম, ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়েদ আসআদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা এবং শায়খে কাতিয়া হযরত মাওলানা আমিন উদ্দীন (রহ.)-এর বড় সাহেবজাদা দেশবরেণ্য আলেম হাফেজ মাওলানা হাজী ইমদাদুল্লাহ আমিনীর ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাফেজ মাওলানা হাজী ইমদাদুল্লাহ আমিনী ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে সিলেট ও সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আলেম সমাজ, শিক্ষার্থী, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এক শোকবার্তায় মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করে বলেন, “হযরত মাওলানা হাফেজ ইমদাদুল্লাহ (রহ.) ছিলেন দ্বীনের একনিষ্ঠ খাদেম ও ইসলামী শিক্ষা-সংস্কৃতির একজন নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। সিলেট ও সুনামগঞ্জসহ দেশজুড়ে দ্বীনি শিক্ষার প্রসার ও সমাজ সংস্কারে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
তিনি আরও বলেন, “পিতার রেখে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী কাতিয়া মাদরাসাকে সুযোগ্য নেতৃত্বে এগিয়ে নিয়ে তিনি যে ইলমি খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন, তা অতুলনীয়। তাঁর আকস্মিক ইন্তেকালে দেশের আলেম সমাজ ও দ্বীনি অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। একজন অভিভাবক ও আদর্শ মুখলিস আলেমকে হারিয়ে আমরা গভীরভাবে ব্যথিত।”
শোকবার্তায় মন্ত্রী মরহুমের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর জান্নাতুল ফেরদাউস নসিবের জন্য দোয়া করেন। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, কাতিয়া মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, হাফেজ মাওলানা হাজী ইমদাদুল্লাহ আমিনী তাঁর পিতা শায়খে কাতিয়া হযরত মাওলানা আমিন উদ্দীন (রহ.)-এর ইলমি ও আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার ধারণ করে দীর্ঘদিন কাতিয়া মাদরাসার মুহতামিমের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ইলম, শিক্ষা ও দ্বীনি খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন।