পৌরসভা নয়, পুরো দক্ষিণ সুরমাকে সিসিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ব্যারিস্টার জুনেদের
দক্ষিণ সুরমা প্রতিনিধি:
নতুন পৌরসভা গঠন করে প্রশাসনিক জটিলতা বাড়ানোর পরিবর্তে পুরো দক্ষিণ সুরমাকে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি বলেন, দক্ষিণ সুরমা এখন আর আগের মতো গ্রামীণ কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। পুরো এলাকাই দ্রুত নগরায়িত হচ্ছে এবং এটি মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যেও রয়েছে। তাই আগামী ২০ থেকে ৩০ বছরে দক্ষিণ সুরমাকে কোথায় দেখতে চাই—এখন থেকেই সেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে ভাবতে হবে।
ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ বলেন, দক্ষিণ সুরমায় বর্তমানে অপরিকল্পিতভাবে ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে। একই সঙ্গে খাল-বিল ও জলাধার সংকুচিত হচ্ছে এবং কমে আসছে ড্রেনেজের জায়গা। এভাবে আরও কয়েক বছর চলতে থাকলে ভবিষ্যতে রাস্তা প্রশস্ত করা, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরি কিংবা প্রয়োজনীয় নাগরিক অবকাঠামো গড়ে তোলা অনেক বেশি কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়বে।
তিনি বলেন, নতুন করে পৌরসভা গঠন করে আরেকটি মধ্যবর্তী প্রশাসনিক স্তর তৈরির পাশাপাশি আরও দীর্ঘমেয়াদি কোনো পরিকল্পনা করা যায় কি না, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। পুরো দক্ষিণ সুরমাকে ভবিষ্যৎ সিলেট নগরীর অংশ হিসেবে বিবেচনা করে এখন থেকেই একটি মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় আনার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, কোথায় আবাসিক এলাকা হবে, কোথায় বাণিজ্যিক এলাকা হবে, ভবিষ্যতের সড়কগুলো কতটা প্রশস্ত হবে, ড্রেনেজ ব্যবস্থা কীভাবে গড়ে তোলা হবে এবং খাল-বিল ও জলাধার কীভাবে সংরক্ষণ করা হবে—এসব বিষয়ে এখনই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে ভবিষ্যতের দক্ষিণ সুরমাকে আরও পরিকল্পিত, আধুনিক ও নাগরিকবান্ধবভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।