logo
চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
সিলেট ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন চ্যানেল জৈন্তা নিউজ

শাহপরান মাজারের হিসাব-সম্পত্তি নিয়ে তদন্তের দাবি, ওয়াকফ প্রশাসনের নির্দেশ নথিভুক্ত করতে আবেদন

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন সিলেট
চ্যানেল জৈন্তা নিউজ ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শাহপরান মাজারের হিসাব-সম্পত্তি নিয়ে তদন্তের দাবি, ওয়াকফ প্রশাসনের নির্দেশ নথিভুক্ত করতে আবেদন

সিলেট : সিলেটের হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার ওয়াকফ এস্টেটের অর্থ ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, হিসাব নিরীক্ষা এবং পরিচালনা কমিটি অনুমোদনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও অভিযোগকারী। এ বিষয়ে ১১ অক্টোবর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় কার্যালয়ে পরিপূরক আবেদন জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁরা।


আবেদনকারীদের অভিযোগ, মাজারের দানবাক্সের অর্থ, ইজারা এবং জমি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম হয়ে আসছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে মোতাওয়াল্লী সৈয়দ মামুনুর রশীদ ও তাঁর সহযোগীদের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আবেদনকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইসলামিক ফাউন্ডেশন সিলেট কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে তাঁরা ৩২৬ পৃষ্ঠার নথিপত্র ও তথ্যপ্রমাণ জমা দেন। এর আগে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসন ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা একটি চিঠিতে পূর্বের ২৬২ ফর্দের আবেদন ও প্রস্তাবিত কমিটির তালিকা তদন্ত প্রতিবেদনের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে সরেজমিন তদন্তের পর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।


রোববার জমা দেওয়া আবেদনে চারটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন অভিযোগকারীরা।


দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—সিলেটের জেলা প্রশাসককে সভাপতি ও এসএমপি কমিশনারকে সহসভাপতি করে প্রস্তাবিত ২৫ সদস্যের পরিচালনা কমিটি অনুমোদন; দানবাক্স খোলা, অর্থ গণনা ও ব্যাংকে জমা দেওয়ার সময় সরকারি প্রতিনিধির উপস্থিতি এবং প্রক্রিয়ার সচিত্র রেকর্ড সংরক্ষণ; ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষা এবং মাজারের দোকান ও শতাধিক একর কৃষিজমির সীমানা ও ইজারার তথ্য সরেজমিন যাচাই; পাশাপাশি ওয়াকফ প্রশাসনের ২৭ সেপ্টেম্বরের চিঠিটি চলমান তদন্তের মূল নথিতে সংযুক্ত করা।


আবেদনকারীরা দাবি করেন, মোতাওয়াল্লীর পক্ষ থেকে ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব হিসেবে ৫৪ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রকৃত আয়-ব্যয় নিরূপণে স্বাধীন ও বিস্তারিত নিরীক্ষা প্রয়োজন। এ ছাড়া মাজারের হিসাবের খাতা ও মূল রেজিস্টার সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তাঁরা।


আবেদনকারীদের মধ্যে মো. আলমগীর, মো. আবদুল হক জাবেদ, মো. জসিম মিয়া, মো. আলী আহমদ, হেলাল আহমদ ও মো. আমিরুল ইসলামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা বলেন, মাজারের ওয়াকফ সম্পত্তি রক্ষা ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।


এ বিষয়ে বাংলাদেশ ওয়াকফ প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, সিলেটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অভিযুক্ত মোতাওয়াল্লীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ · https://channeljaintanews24.com/top-news/18131
Page of