চতুল বাজারে ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের যাত্রা শুরু
কানাইঘাট প্রতিনিধি:
সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার চতুল বাজারে আধুনিক চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয় সেবা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যান্ড কনসালটেশন। স্থানীয় মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় চতুল বাজারের আসসাফা কমপ্লেক্সের নিচতলায় প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত থেকে আগত আল্লামা সয়্যিদ সালমান মনসুরপুরী হাফিজাহুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। তাঁর উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টরা জানান, চতুল বাজার ও আশপাশের এলাকার মানুষের কাছে সহজে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এখানে প্রতিদিন অভিজ্ঞ ও যোগ্যতাসম্পন্ন এমবিবিএস চিকিৎসকরা রোগী দেখবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা পরামর্শ দেবেন।
রোগীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নারী রোগীদের জন্য পৃথক নারী চিকিৎসক এবং পুরুষ রোগীদের জন্য পৃথক পুরুষ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটিতে প্যাথলজির বিভিন্ন ধরনের রোগ নির্ণয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা থাকবে। ফলে চতুল বাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানোর জন্য দূরের কোনো শহর বা প্রতিষ্ঠানে যেতে হবে না। একই স্থানে চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
উদ্বোধনী সপ্তাহে ২০ শতাংশ ছাড়
নতুন প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন উপলক্ষে রোগীদের জন্য বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্বোধনের প্রথম এক সপ্তাহ প্রতিটি পরীক্ষায় ২০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে। এতে উদ্বোধনী সপ্তাহে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে আসা রোগীরা বিশেষ সুবিধা পাবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা বলেন, চতুল বাজারে নতুন এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় কানাইঘাটের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয় সেবার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে স্থানীয়ভাবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা পাওয়া গেলে সময় ও যাতায়াতের ভোগান্তি কমবে।
তারা আশা প্রকাশ করেন, সেবার মান বজায় রাখা, দক্ষ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের সেবা প্রদান এবং আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন এলাকার মানুষের পাশে থাকবে।