ছাতক পৌরসভায় ৬ মাসে এক হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ
ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জের ছাতক পৌরসভায় ছয় মাসে এক হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে রবিবার (৩০ আগস্ট) ছাতক পৌরসভা প্রাঙ্গণে।
উদ্বোধনকালে ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ মহি উদ্দিন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ছাতক পৌরসভার ল্যান্ডফিল ও নতুন গরুর বাজার এলাকায় ৫০টি বৃক্ষরোপণ করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌর ভবন প্রাঙ্গণে আরও ৫০টি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে বাকি চারাগাছ রোপণ করা হবে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পৌরসভার স্টোরকিপার অজিত কুমার দাস জানান, ছয় মাসের মধ্যে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে মোট এক হাজার বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত বিভিন্ন স্থানে এসব গাছের চারা রোপণ করা হবে।
কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাতক পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত আরেফিন, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ মো. শফিউর রহমান, ৪ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা প্রকৌশলী আমির হোসেন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান মিয়া, ১ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কুরবান আলী।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শরদিন্দু রায়, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক, পৌর কর আদায়কারী জামাল উদ্দিন, স্টোরকিপার ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অজিত কুমার দাস, কর নির্ধারক শহীদুল হক মোল্লা, ছাতক পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী আবুল হাসানসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উল্লেখ্য, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ছাতক পৌরসভার এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক, প্রতিষ্ঠান ও খালি জায়গায় সবুজায়ন বাড়ার পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।