রপ্তানি ও কার্গো সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সিলেটে কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর
সিলেট:
রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্যের পরিমাণ এবং কার্গো পরিবহনের বাস্তব সক্ষমতা বিবেচনা করে সিলেট প্যাকিং হাউজ কাম কোল্ড স্টোরেজের ধারণক্ষমতা নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পণ্য সংরক্ষণ থেকে শুরু করে বিদেশে রপ্তানি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রকল্পে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও আনুষঙ্গিক সুবিধা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সিলেটে বাস্তবায়নাধীন প্যাকিং হাউজ কাম কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ প্রকল্পের এক পর্যালোচনা বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।
বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, কোল্ড স্টোরেজের বিভিন্ন চেম্বারের ধারণক্ষমতা নির্ধারণে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের সরবরাহ এবং কার্গোতে স্থান সংকুলানের চাহিদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একটি কার্গোতে চালানের পণ্য পাঠানোর পর পরবর্তী চালানের প্রস্তুতি যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সে অনুযায়ী সংরক্ষণ ও লোডিং ব্যবস্থার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও পরামর্শ দেন, প্যাকিং হাউজে শাকসবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের অবশিষ্টাংশ ফেলে না দিয়ে তা থেকে জৈব সার উৎপাদনের ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে অপচয় রোধের পাশাপাশি বর্জ্য সম্পদে রূপান্তরিত হবে।
প্রকল্পের সামগ্রিক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং বাস্তবভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি বিপণন বিভাগ এবং প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি অবকাঠামোগত নকশা, পরিচালনব্যবস্থা ও রপ্তানি সুবিধার খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন দাখিল করবে।
পর্যালোচনা বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপপরিচালক জুলিয়া যেসমিন মিলিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।