সিলেটে একদিনে দুই মরদেহ উদ্ধার
সিলেট।:
সিলেট নগরীতে পৃথক দুটি ঘটনায় এক কিশোর ও এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা থেকে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ এবং এয়ারপোর্ট থানার পশ্চিম পাঠানগাঁও থেকে ৪০ বছর বয়সী এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দক্ষিণ সুরমা থানাধীন নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের খোজারখলা কাশবন আবাসিক এলাকার একটি কলোনি থেকে আমিন আলী (১৬) নামের ওই কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আমিন আলী মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার বাছিরপুর গ্রামের শুকুর মিয়ার ছেলে। তিনি পরিবারের সঙ্গে খোজারখলার ওই কলোনিতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে পরিবারের সদস্যরা ঘরের ভেতরে আমিন আলীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করে।
দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে মরদেহের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।
পশ্চিম পাঠানগাঁওয়ে যুবকের মরদেহ
এর আগে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে সিলেট মহানগরের এয়ারপোর্ট থানাধীন পশ্চিম পাঠানগাঁও এলাকায় নিজ বসতঘর থেকে জমির আলী (৪০) নামে এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত জমির আলী ওই গ্রামের করম আলীর ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে খবর পেয়ে বুধবার রাতে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ নিজ বসতঘর থেকে জমির আলীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা জানান, জমির আলী মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জমির আলীর মৃত্যু হয়েছে এবং তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ দুই মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।