খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তায় সরকার দিচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব:
সিলেট, ১ এপ্রিল: দেশের খেলাধুলাকে সুসংগঠিত ও টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সরকার একটি সমন্বিত ক্রীড়া কাঠামো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় ও তৃণমূল পর্যায়ের খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
বুধবার সিলেট সার্কিট হাউসে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংগঠক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে প্রায় ৫০০ সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়কে উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের একটি পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মধ্যে এনে তাদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, খেলাধুলাকে শুধু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতি গঠনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে বর্তমান সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের অধিকাংশ খেলোয়াড় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসে উল্লেখ করে তিনি বলেন, খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, খেলাধুলার সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফুটবল ও ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য খেলাকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে সারাদেশে খেলাধুলার বিস্তার ঘটানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে খেলোয়াড়দের ভাতা প্রদানসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের খেলাধুলা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও এগিয়ে যাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সভায় ক্রীড়া সংগঠক, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে আন্তরিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার খান মোঃ রেজা-উন-নবী, সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
চাইলে আমি এখন এটিকে আরও ঠিক পত্রিকার মতো ৩ কলামের সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট, প্রেস রিলিজ ভার্সন, বা একদম ঝরঝরে শিরোনামসহ ফ্রন্টপেজ স্টাইলে করে দিতে পারি।