জৈন্তাপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পেলেন ৯ জন
সিলেট :
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৯ জন প্রার্থীকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের নিয়োগপত্রে এ তথ্য জানানো হয়। নিয়োগপত্রের স্মারক নম্বর ৩৮.০১.৯১০০,০০০.১১.০০৩.২৫-২০৮৩। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফল ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ প্রকাশ করা হয়েছিল।
নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—মোহাম্মদ শিপলু, পিতা মুছব্বির আলী, মাতা আনোয়ারা বেগম; মো. আবু সাঈদ সোহাগ, পিতা মো. আব্দুল কালাম, মাতা মোছা. তেজবান বেগম; নাদিরা মাহজাবিন, স্বামী মোহাম্মদ শাহীন আহমদ, মাতা হাবিবা সুলতানা; আব্দুল্লাহ আল মাহিন, পিতা আব্দুল হাসিম, মাতা আয়েশা বেগম; তুষার বিশ্বাস, পিতা হরি বিশ্বাস, মাতা শিলা বিশ্বাস; সুলতান আহমদ, পিতা আব্দুর রহমান, মাতা আলফাতুন নেছা; হাসান মো. কাওসার, পিতা মো. জাকির হোসেন, মাতা ফরিদা ইয়াসমিন; মেহের আফরিন রোহী, পিতা মো. জালাল উদ্দিন, মাতা হাবিবা সুলতানা এবং শাহাদাত হোসেন, পিতা সিদ্দিকুর রহমান, মাতা শাহেরা বেগম।
নিয়োগপত্র অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে নয়াখেল উত্তর (বালিদাড়া), পশ্চিম ঠাকুরের মাটি, ডেমা, বাউরভাগ, হেমু ভাটপাড়া, দরবস্ত, উমনপুর ও আসামপাড়ার বাসিন্দা রয়েছেন। অর্থাৎ নিয়োগপ্রাপ্ত সবাই জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকরা জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ১১,০০০–২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩) বেতনক্রমে রাজস্বখাতভুক্ত পদে নিয়োগ পেয়েছেন।
নিয়োগপত্রে বলা হয়েছে, যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছর চাকরিকাল শিক্ষানবীশকাল হিসেবে গণ্য হবে। শিক্ষানবীশকালে কর্মদক্ষতা, আচরণ ও সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ডের ভিত্তিতে বিধি অনুযায়ী চাকরি স্থায়ীকরণের বিষয় বিবেচনা করা হবে। এ সময়ে কোনো ধরনের অসদাচরণের ক্ষেত্রে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।
এ ছাড়া শিক্ষানবীশকালে বদলির আবেদন করা যাবে না। শিশুদের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করা যাবে না এবং এ ধরনের ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নিয়োগপত্রে সতর্ক করা হয়েছে।
নিয়োগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রার্থীদের দেওয়া কোনো তথ্য বা সনদপত্র পরবর্তীতে মিথ্যা বা জাল প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে। নিয়োগপ্রাপ্তদের যোগদানের পর সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মৌলিক প্রশিক্ষণ (বিটিপিটি) গ্রহণ করতে হবে।
তথ্যসূত্র: সিলেট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের নিয়োগপত্র।