logo
চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
সিলেট ২১ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৫৯ অপরাহ্ন চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
অনুমোদন ছাড়া নির্মাণ, সম্প্রসারণ ও জলাধার খনন নিষিদ্ধ; মানতে হবে বিএনবিসি-২০২০

সিলেটে ভবন নির্মাণে নতুন নিয়ম, এখন লাগবে সিউকের অনুমোদন

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ ২১ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৫৯ অপরাহ্ন সিলেট
চ্যানেল জৈন্তা নিউজ ২১ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
সিলেটে ভবন নির্মাণে নতুন নিয়ম, এখন লাগবে সিউকের অনুমোদন

ডেস্ক নিউজ। 


সিলেট মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ কিংবা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এখন থেকে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) অনুমোদন নিতে হবে। একই সঙ্গে ভূমি ব্যবহার, জলাধার খনন ও পুনঃখননসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমেও সিউকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


রোববার (১৬ আগস্ট) সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিলেট মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় পরিকল্পিত উন্নয়ন, সুশৃঙ্খল নগরায়ণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রচলিত আইন, বিধি ও বিধিমালা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিউক। এর অংশ হিসেবে ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের জন্য সিউকের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।


সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, সিউকের আইন অনুযায়ী সাধারণ মানুষের অবগতির জন্য এ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল নগরায়ণ এবং পরিবেশবান্ধব সিলেট গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য।


গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সিউকের আওতাধীন এলাকায় ইমারত নির্মাণ আইন-১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি)-২০২০ অনুসরণ করতে হবে। এ জন্য ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা এবং ভবনের স্থাপত্য, কাঠামোগত, বৈদ্যুতিক ও পানি-নিষ্কাশন সংক্রান্ত নকশা সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে প্রস্তুত করে আবেদন দাখিল করতে হবে।


আবাসন প্রকল্পের ক্ষেত্রেও নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আবাসন প্রতিষ্ঠানকে সিউকে নিবন্ধন নিতে হবে।


বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সিউকের পূর্বানুমোদন ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন করা যাবে না। অনুমোদিত নকশা অনুযায়ীই নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে অবৈধ দখল, জলাশয় ভরাট কিংবা পরিবেশের ক্ষতি হয়—এমন কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।


আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘন করে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে সিউক।


গণবিজ্ঞপ্তিতে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২৩-এর ৫৪ ধারার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর এর আওতাভুক্ত বিষয়ে সিউক ছাড়া অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতির মাধ্যমে পরিচালিত কার্যক্রম অকার্যকর ও অননুমোদিত হিসেবে গণ্য হবে।


এদিকে নতুন এ ব্যবস্থার ফলে সিলেট মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় ভবন নির্মাণ ও ভূমি ব্যবহারে সিউকের অনুমোদন একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে পরিণত হলো। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে পরিকল্পিত নগরায়ণ, নিরাপদ ভবন নির্মাণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ · https://channeljaintanews24.com/top-news/17114
Page of