জকিগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ- সমাপ্ত, বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন
জকিগঞ্জ (সিলেট): সিলেটের জকিগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার (০৫ মে) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জকিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাসুদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ এবং সঞ্চালনা করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সজল এস. চক্রবর্তী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মোঃ মাসুদুর রহমান বলেন, পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠন সম্ভব নয়। অপুষ্টি দূরীকরণে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি শিশু, কিশোর-কিশোরী ও গর্ভবতী মায়েদের পুষ্টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ বলেন, পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে পরিচালিত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের মাঝে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মুমিন, সহকারী প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. খালেদ আহমদ, জকিগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মুশাহিদ আহমদ (কামালী), উপজেলা খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারি মাওলানা আলাউদ্দিন তাপাদার, জকিগঞ্জ থানার প্রতিনিধি এসআই ইনতেয়াজ আহমদ, জকিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মুন্না, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব লায়েকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহযোগিতায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— “পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ।”
পুষ্টিবিষয়ক উপস্থাপনা করেন ডা. সালমা ফারিহা লাবণ্য। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল ও মাদ্রাসায় আয়োজিত প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে দরিদ্র ও দুস্থদের মাঝে ফুড বাস্কেট বিতরণসহ নানা সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।