Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৮ নভেম্বর ২০২৬ · ০১:১৯ অপরাহ্ন

ফ্যাসিস্টরা পালিয়ে গেলে আর ফিরে আসে না’—শান্তিগঞ্জে এমপি কয়ছর আহমদ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

শান্তিগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: ‘ফ্যাসিস্টরা পালিয়ে গেলে আর ফিরে আসে না। এই বাংলায় খুনি হাসিনার আর ঠাঁই হবে না’—এমন মন্তব্য করেছেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ।


জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় উপজেলার ঝিলমিল অডিটোরিয়ামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক রওশন খাঁন সাগর ও আবুল কাসেম নাইমের যৌথ পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ।


তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট ও খুনিদের নামের আগে খুনি ও ফ্যাসিস্ট শব্দই ব্যবহার করা উচিত। খুনি হাসিনার পিতাও দেশের আপামর জনগণকে যুদ্ধের ময়দানে রেখে নিরাপদে পালিয়েছিলেন। পিতার পথ ধরেই ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা পালিয়েছে। এই বাংলায় তার আর ঠাঁই হবে না।’


তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা খুনি হাসিনার ফিরে আসার বিষয়ে ভুল বার্তা প্রচার করতে চায়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শপথ নিয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এসব মিথ্যাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবিলা করতে হবে।


শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ তুলে কয়ছর আহমদ বলেন, তিনি ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও একজন পরীক্ষিত সৈনিক। এ কারণেই ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁকে মুক্ত করে এনে দেশের ক্ষমতার মসনদে বসিয়েছিল। তাঁরই ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী বিএনপির কর্ণধার দেশনায়ক তারেক রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছে এ দেশের মুক্তিকামী জনতা।


বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতা করতে হবে।


সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সুবিপ্রবির সিন্ডিকেট সদস্য আনছার উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ফারুক আহমেদ, জেলা বিএনপির সদস্য নুর আলী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এটিএম হেলাল, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশীদ আমিন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অজিত দাশ, জয়কলস ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ইলিয়াছ মিয়া, পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক তোফায়েল আহমদ, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আওলাদ হোসেন, পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এবাদুর রহমান, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মতিউর রহমান, পাথারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব আক্কাছ মিয়া, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রনজিৎ সূত্রধর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল পারভেজ সাজন এবং উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ওবায়দুল করিম মাছুম।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আকিকুর রহমান আকিক, আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান বাবুল, সদস্য নুরুল ইসলাম, মহির উদ্দিন, লুৎফুর রহমান জায়গীরদার খোকন, মোজাহিদ উদ্দিন, গোলাম রব্বানী, মোশাহিদ আলী, জিয়াউল হক, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সিরাজ মিয়া, মিজানুর রহমান, সাইকুল ইসলাম, হুছবান আহমদ চৌধুরী, মাস্টার শফিকুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব খান, সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক রিপন আহমদ, উপজেলা যুবদল নেতা সৈয়দ আলম, ছালিক আহমদ, মুহিবুর রহমান মানিক, ফরিদ মিয়া, ফরিদ গাজী, শ্যামল চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, হুমায়ুন কবির এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মিয়া, মানসুর ও কামরানসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

শান্তিগঞ্জ (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: ‘ফ্যাসিস্টরা পালিয়ে গেলে আর ফিরে আসে না। এই বাংলায় খুনি হাসিনার আর ঠাঁই হবে না’—এমন মন্তব্য করেছেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ।


জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় উপজেলার ঝিলমিল অডিটোরিয়ামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহ্বায়ক রওশন খাঁন সাগর ও আবুল কাসেম নাইমের যৌথ পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ।


তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট ও খুনিদের নামের আগে খুনি ও ফ্যাসিস্ট শব্দই ব্যবহার করা উচিত। খুনি হাসিনার পিতাও দেশের আপামর জনগণকে যুদ্ধের ময়দানে রেখে নিরাপদে পালিয়েছিলেন। পিতার পথ ধরেই ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা পালিয়েছে। এই বাংলায় তার আর ঠাঁই হবে না।’


তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা খুনি হাসিনার ফিরে আসার বিষয়ে ভুল বার্তা প্রচার করতে চায়, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শপথ নিয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে এসব মিথ্যাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবিলা করতে হবে।


শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ তুলে কয়ছর আহমদ বলেন, তিনি ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও একজন পরীক্ষিত সৈনিক। এ কারণেই ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁকে মুক্ত করে এনে দেশের ক্ষমতার মসনদে বসিয়েছিল। তাঁরই ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী বিএনপির কর্ণধার দেশনায়ক তারেক রহমানকে ক্ষমতায় বসিয়েছে এ দেশের মুক্তিকামী জনতা।


বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং সরকারের উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতা করতে হবে।


সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সুবিপ্রবির সিন্ডিকেট সদস্য আনছার উদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ফারুক আহমেদ, জেলা বিএনপির সদস্য নুর আলী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এটিএম হেলাল, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশীদ আমিন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অজিত দাশ, জয়কলস ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ইলিয়াছ মিয়া, পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক তোফায়েল আহমদ, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আওলাদ হোসেন, পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এবাদুর রহমান, পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মতিউর রহমান, পাথারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব আক্কাছ মিয়া, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রনজিৎ সূত্রধর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল পারভেজ সাজন এবং উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ওবায়দুল করিম মাছুম।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আকিকুর রহমান আকিক, আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আখতারুজ্জামান বাবুল, সদস্য নুরুল ইসলাম, মহির উদ্দিন, লুৎফুর রহমান জায়গীরদার খোকন, মোজাহিদ উদ্দিন, গোলাম রব্বানী, মোশাহিদ আলী, জিয়াউল হক, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা সিরাজ মিয়া, মিজানুর রহমান, সাইকুল ইসলাম, হুছবান আহমদ চৌধুরী, মাস্টার শফিকুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব খান, সিলেট জেলা যুবদলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক রিপন আহমদ, উপজেলা যুবদল নেতা সৈয়দ আলম, ছালিক আহমদ, মুহিবুর রহমান মানিক, ফরিদ মিয়া, ফরিদ গাজী, শ্যামল চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, হুমায়ুন কবির এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মিয়া, মানসুর ও কামরানসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com