Template: 1
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
logo
channeljaintanews24.com
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | ০১:০৭ অপরাহ্ন
channeljaintanews24@gmail.com

মাধবপুরে জরাজীর্ণ সেতুতে মরণঝুঁকি, আতঙ্ক নিয়ে পারাপার হাজারো গ্রামবাসীর

✍ চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
🕒 রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | ০১:০৭ অপরাহ্ন

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রামেশ্বর গ্রামের প্রবেশপথের গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেতুর বিভিন্ন স্থানে কংক্রিট ও পলেস্তারা খসে পড়েছে। কোথাও কোথাও বেরিয়ে এসেছে ভেতরের লোহার রড। এমন ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়েই প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন গ্রামের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রামেশ্বর গ্রামের মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম এই সেতু। প্রতিদিন নারী-পুরুষ, শিশু, শিক্ষার্থী ও বয়স্ক ব্যক্তিরা সেতুটি ব্যবহার করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় সেতুটির অবস্থা দিন দিন আরও নাজুক হয়ে পড়ছে।


বিশেষ করে সেতুর নিচের অংশের কংক্রিট ক্ষয়ে ভেতরের রড বেরিয়ে এসেছে। কোথাও কোথাও রড ও কংক্রিটের অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল খান জানান, প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের চলাচলে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। দ্রুত সংস্কার করা না হলে সেতুটি ভেঙে পড়ে প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ অবস্থায় তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম ফয়সলের সুদৃষ্টি কামনা করেন।


এলাকাবাসীর দাবি, জনদুর্ভোগ কমাতে এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে জরুরি ভিত্তিতে সেতুটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে পুরোনো সেতুটি ভেঙে নতুন করে নির্মাণেরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা মো. সামস জাবেদ বলেন, তিনি সম্প্রতি কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। তাই সেতুটির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো তাঁর জানা নেই। তবে বেশ কয়েকটি সেতু নির্মাণের জন্য আবেদন করা হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।


দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা রামেশ্বর গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি সংস্কার কিংবা পুনর্নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ নেবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

ছবি
channeljaintanews24.com
logo
ভিজিট করুন
০৮.১১.২০২৬
© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
channeljaintanews24.com