Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৭ নভেম্বর ২০২৬ · ১০:৩৬ অপরাহ্ন

বৈধ ইজারা নিয়েও চেলা নদীতে বালু তুলতে পারছেন না ইজারাদার, কর্মহীন শতাধিক শ্রমিক

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ বিজিবির বাধার অভিযোগ, প্রশাসন ও বিজিবির সমন্বয়ে সমাধান চান শ্রমিক-ব্যবসায়ীরা
ছবি

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনালী চেলা নদীতে বৈধ ইজারাকৃত এলাকা থেকে বালু উত্তোলনে বিজিবির বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত বারকি শ্রমিকসহ শতাধিক শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।


ইজারাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিনান এন্টারপ্রাইজের দাবি, ২০২৪ সালেই ইজারাকৃত এলাকার সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও নো ম্যানস ল্যান্ডের বাইরে নির্ধারিত বৈধ এলাকা থেকে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ফলে বৈধ ইজারা থাকা সত্ত্বেও নদীতে বালু উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।


এ অবস্থায় স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা প্রশাসন এবং বিজিবির মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, নির্ধারিত সীমানা মেনে সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করা হলে কর্মসংস্থান ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও সচল হবে।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন, সোনালীচেলা সমবায় সমিতির সভাপতি জয়নাল মিয়া, আবু ছিদ্দিক, মো. খুকন মিয়া, মছন্দর আলী, হামিদুল হক অপি ও নিজাম উদ্দিনসহ স্থানীয় শ্রমিকরা।


এ বিষয়ে সোনালীচেলা বিওপির বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার শরিফ বলেন, সীমানা নির্ধারণ করে বৈধভাবে বালু উত্তোলন করলে তাঁদের কোনো বাধা নেই। তবে সীমান্ত পিলার থেকে নির্ধারিত দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।


অন্যদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, নদীর সীমানা আগেই নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও ইজারাদার বালু উত্তোলন করতে না পারার বিষয়টি তাদের নিজস্ব ব্যর্থতা। বিজিবি কেন বাধা দিচ্ছে, তা তাঁর জানা নেই।


বৈধ ইজারার পরও বালু উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগের মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনালী চেলা নদীতে বৈধ ইজারাকৃত এলাকা থেকে বালু উত্তোলনে বিজিবির বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত বারকি শ্রমিকসহ শতাধিক শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।


ইজারাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিনান এন্টারপ্রাইজের দাবি, ২০২৪ সালেই ইজারাকৃত এলাকার সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও নো ম্যানস ল্যান্ডের বাইরে নির্ধারিত বৈধ এলাকা থেকে বালু উত্তোলনে বাধা দেওয়া হচ্ছে। ফলে বৈধ ইজারা থাকা সত্ত্বেও নদীতে বালু উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।


এ অবস্থায় স্থানীয় শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা প্রশাসন এবং বিজিবির মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, নির্ধারিত সীমানা মেনে সনাতন পদ্ধতিতে বালু উত্তোলনের সুযোগ নিশ্চিত করা হলে কর্মসংস্থান ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও সচল হবে।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন, সোনালীচেলা সমবায় সমিতির সভাপতি জয়নাল মিয়া, আবু ছিদ্দিক, মো. খুকন মিয়া, মছন্দর আলী, হামিদুল হক অপি ও নিজাম উদ্দিনসহ স্থানীয় শ্রমিকরা।


এ বিষয়ে সোনালীচেলা বিওপির বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার শরিফ বলেন, সীমানা নির্ধারণ করে বৈধভাবে বালু উত্তোলন করলে তাঁদের কোনো বাধা নেই। তবে সীমান্ত পিলার থেকে নির্ধারিত দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।


অন্যদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, নদীর সীমানা আগেই নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরও ইজারাদার বালু উত্তোলন করতে না পারার বিষয়টি তাদের নিজস্ব ব্যর্থতা। বিজিবি কেন বাধা দিচ্ছে, তা তাঁর জানা নেই।


বৈধ ইজারার পরও বালু উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় স্থানীয় শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগের মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা করে শ্রমিকদের কর্মসংস্থান স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com