সুনামগঞ্জ :
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশব্যাপী উদ্বোধন করা হয়েছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২। এর অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায়ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে দেশব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি।
একই দিন বিকেলে জামালগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রাণী মোদক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বন্দে আলী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব শফিকুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পীযূষ কান্তি মজুমদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাব্বির সারোয়ার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ আজগার আলী ও উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খালেদ আহমদ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. শাহজাহান, ভীমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার, জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন, জামালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান ভূষণ চক্রবর্তী, কৃষক দল জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মোবারক হোসেন, সদস্য সচিব আসাদ নূর সাদী, মৎস্যজীবী দল জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি জয়নাল আবেদীন এবং জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তাহের আহমেদ।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ক্রীড়াপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাম ও তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তারা আরও বলেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব প্রতিভাবান খেলোয়াড় ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের সুনাম বয়ে আনতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি এ ধরনের ক্রীড়া উদ্যোগ শিশু-কিশোরদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সুনামগঞ্জ :
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে দেশব্যাপী উদ্বোধন করা হয়েছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২। এর অংশ হিসেবে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায়ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে দেশব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি।
একই দিন বিকেলে জামালগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রাণী মোদক।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বন্দে আলী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব শফিকুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পীযূষ কান্তি মজুমদার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাব্বির সারোয়ার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ আজগার আলী ও উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খালেদ আহমদ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. শাহজাহান, ভীমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আখতারুজ্জামান তালুকদার, জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন, জামালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান ভূষণ চক্রবর্তী, কৃষক দল জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. মোবারক হোসেন, সদস্য সচিব আসাদ নূর সাদী, মৎস্যজীবী দল জামালগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি জয়নাল আবেদীন এবং জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তাহের আহমেদ।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও ক্রীড়াপ্রেমীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাম ও তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাদের বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তারা আরও বলেন, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এসব প্রতিভাবান খেলোয়াড় ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের সুনাম বয়ে আনতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি এ ধরনের ক্রীড়া উদ্যোগ শিশু-কিশোরদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।