Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৫ নভেম্বর ২০২৬ · ০৫:৩২ অপরাহ্ন

জকিগঞ্জের আটগ্রাম নালুহাটিতে সুরমার ভয়াবহ ভাঙন, হুমকির মুখে বসতবাড়ি-মসজিদ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ প্রায় ২০০ ফুট এলাকাজুড়ে বেড়িবাঁধে ধস, দ্রুত সংস্কারের দাবি স্থানীয়দের
ছবি

জকিগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর কাজলসার ইউনিয়নের আটগ্রাম নালুহাটি এলাকায় সুরমা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ফজরের সময় নদীতীরবর্তী বেড়িবাঁধের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। প্রায় ২০০ ফুট এলাকাজুড়ে সৃষ্ট এ ভাঙনে মূল বেড়িবাঁধের প্রায় অর্ধেক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে আশপাশের বসতবাড়ি, মসজিদ, কৃষিজমি ও জনবসতি হুমকির মুখে পড়েছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরেই বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে হঠাৎ ভাঙন বড় আকার ধারণ করে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আশপাশের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাইয়ুম বলেন, কয়েক দিন ধরে বেড়িবাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছিল। কিন্তু গত রাতে বড় আকারে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। আশপাশের বাড়িঘর এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কিছুটা স্বস্তির বিষয়, শুষ্ক মৌসুমে ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের সদিচ্ছা থাকলে এখনই ভাঙন প্রতিরোধ ও সংস্কারের কাজ করা সম্ভব।

স্থানীয় বাসিন্দা বেবুল আহমদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আটগ্রামের নদীপাড়ে অনেক মানুষের বসতবাড়ি রয়েছে। আশপাশে রয়েছে বিভিন্ন বাড়িঘর ও বাউশ (সবজি) ক্ষেত। সবজি নষ্ট হলেও মানুষের জীবন যেন রক্ষা পায়, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে নদীভাঙনের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। আটগ্রাম আমজদিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী লাহিন আহমদ বাপ্পি বলেন, বছরের শেষ সময়, সামনে তাঁদের পরীক্ষা। নদীভাঙনের কারণে মাদরাসায় যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধা হবে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নদীতীরবর্তী বসতবাড়ি, মসজিদ, কৃষিজমি ও মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। বিশেষ করে বেড়িবাঁধের অবশিষ্ট অংশও ধসে পড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

এ অবস্থায় আটগ্রাম নালুহাটি এলাকায় সুরমা নদীর ভাঙনস্থল দ্রুত পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সংস্কার এবং ঝুঁকিপূর্ণ বসতবাড়ি ও স্থাপনাগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জকিগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর কাজলসার ইউনিয়নের আটগ্রাম নালুহাটি এলাকায় সুরমা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ফজরের সময় নদীতীরবর্তী বেড়িবাঁধের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। প্রায় ২০০ ফুট এলাকাজুড়ে সৃষ্ট এ ভাঙনে মূল বেড়িবাঁধের প্রায় অর্ধেক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে আশপাশের বসতবাড়ি, মসজিদ, কৃষিজমি ও জনবসতি হুমকির মুখে পড়েছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরেই বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার ভোরে হঠাৎ ভাঙন বড় আকার ধারণ করে। এতে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আশপাশের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল কাইয়ুম বলেন, কয়েক দিন ধরে বেড়িবাঁধে ফাটল দেখা দিয়েছিল। কিন্তু গত রাতে বড় আকারে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। আশপাশের বাড়িঘর এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কিছুটা স্বস্তির বিষয়, শুষ্ক মৌসুমে ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রশাসনের সদিচ্ছা থাকলে এখনই ভাঙন প্রতিরোধ ও সংস্কারের কাজ করা সম্ভব।

স্থানীয় বাসিন্দা বেবুল আহমদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আটগ্রামের নদীপাড়ে অনেক মানুষের বসতবাড়ি রয়েছে। আশপাশে রয়েছে বিভিন্ন বাড়িঘর ও বাউশ (সবজি) ক্ষেত। সবজি নষ্ট হলেও মানুষের জীবন যেন রক্ষা পায়, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে নদীভাঙনের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। আটগ্রাম আমজদিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী লাহিন আহমদ বাপ্পি বলেন, বছরের শেষ সময়, সামনে তাঁদের পরীক্ষা। নদীভাঙনের কারণে মাদরাসায় যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিধা হবে।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নদীতীরবর্তী বসতবাড়ি, মসজিদ, কৃষিজমি ও মানুষের জীবন-জীবিকা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। বিশেষ করে বেড়িবাঁধের অবশিষ্ট অংশও ধসে পড়লে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

এ অবস্থায় আটগ্রাম নালুহাটি এলাকায় সুরমা নদীর ভাঙনস্থল দ্রুত পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সংস্কার এবং ঝুঁকিপূর্ণ বসতবাড়ি ও স্থাপনাগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com