Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৪ নভেম্বর ২০২৬ · ১১:৫৯ অপরাহ্ন

একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন, তিতাসে খনন হবে নতুন দুটি গ্যাসকূপ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

ঢাকা: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে দুটি নতুন অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কূপ খননের জন্য ৫৯২ কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে। নতুন এ দুটি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।


বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ষষ্ঠ একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।


সভা শেষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি।


অনুমোদিত ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১১টি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫০ হাজার ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা, সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৭৩ কোটি ৭ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।


তিতাসে খনন হবে দুটি নতুন গ্যাসকূপ


দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামে দুটি অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কূপ খনন করা হবে। এ জন্য ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলার সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।


প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ৪১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং কোম্পানির নিজস্ব তহবিল থেকে ১৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেওয়া হবে।


প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন দুটি কূপ থেকে ১০ বছরে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং ৬০ হাজার ৪৪৪ ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোম্পানির বর্তমান কূপমুখের দামে এসব গ্যাস ও কনডেনসেটের আনুমানিক মূল্য ৩৩৯ কোটি ৭ লাখ টাকা। অন্যদিকে, ভোক্তা পর্যায়ের দামে ১০ বছরে উৎপাদিত গ্যাসের আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ৬ হাজার ৫২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।


বর্তমানে বিজিএফসিএল পরিচালিত ছয়টি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে পাঁচটি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৮০ থেকে ৪৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। কোম্পানিটির সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র তিতাসের ২৮টি কূপের মধ্যে ২৩টি থেকে দৈনিক প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে।


সরকার ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এরপর ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।


অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প


একনেক সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১ হাজার ২০৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার প্রকল্প রয়েছে। বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় খাল পুনঃখনন এবং নির্বাচিত পৌরসভাগুলোতে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ৭৩০ কোটি ৬৬ লাখ টাকার প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া ৮৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘ইনোভেশন ফর ক্লাইমেট-স্মার্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্প, ২ হাজার ৫৬৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (এসআইডিপি) এবং ৩ হাজার ৯৫১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে অগ্রাধিকারভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-৩-এর তৃতীয় সংশোধনী অনুমোদন পেয়েছে।


বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষায়িত ও অপারেশনাল যানবাহন কেনার দুটি প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় বি-টাইপ কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবন নির্মাণে ১৭৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা এবং রাজধানীর জিগাতলার গাবতলা কলোনিতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণে ২০০ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।


দেশের পাঁচটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট (ইনমাস) স্থাপনে ৫৩৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৪১ হাজার ৯০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদন পেয়েছে।


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পটি তৃতীয়বারের মতো সংশোধন করা হয়েছে। এ পর্যায়ে প্রকল্পটির ব্যয় ৫২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বাড়ানো হয়েছে।


সভায় মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে দুটি নতুন অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কূপ খননের জন্য ৫৯২ কোটি টাকার প্রকল্প রয়েছে। নতুন এ দুটি কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৩ কোটি ঘনফুট গ্যাস উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।


বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ষষ্ঠ একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়।


সভা শেষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি।


অনুমোদিত ১৩টি প্রকল্পের মধ্যে ১১টি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৫০ হাজার ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা, সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৭৩ কোটি ৭ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।


তিতাসে খনন হবে দুটি নতুন গ্যাসকূপ


দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে তিতাস-৩২ ও তিতাস-৩৩ নামে দুটি অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কূপ খনন করা হবে। এ জন্য ৫৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলার সহযোগী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।


প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন থেকে ৪১৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং কোম্পানির নিজস্ব তহবিল থেকে ১৭৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেওয়া হবে।


প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন দুটি কূপ থেকে ১০ বছরে প্রায় ১০০ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং ৬০ হাজার ৪৪৪ ব্যারেল কনডেনসেট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোম্পানির বর্তমান কূপমুখের দামে এসব গ্যাস ও কনডেনসেটের আনুমানিক মূল্য ৩৩৯ কোটি ৭ লাখ টাকা। অন্যদিকে, ভোক্তা পর্যায়ের দামে ১০ বছরে উৎপাদিত গ্যাসের আনুমানিক মূল্য দাঁড়াবে ৬ হাজার ৫২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।


বর্তমানে বিজিএফসিএল পরিচালিত ছয়টি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে পাঁচটি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৮০ থেকে ৪৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। কোম্পানিটির সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র তিতাসের ২৮টি কূপের মধ্যে ২৩টি থেকে দৈনিক প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে।


সরকার ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এরপর ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে আরও ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।


অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প


একনেক সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ১ হাজার ২০৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার প্রকল্প রয়েছে। বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় খাল পুনঃখনন এবং নির্বাচিত পৌরসভাগুলোতে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ৭৩০ কোটি ৬৬ লাখ টাকার প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া ৮৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘ইনোভেশন ফর ক্লাইমেট-স্মার্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্প, ২ হাজার ৫৬৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (এসআইডিপি) এবং ৩ হাজার ৯৫১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ে অগ্রাধিকারভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-৩-এর তৃতীয় সংশোধনী অনুমোদন পেয়েছে।


বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষায়িত ও অপারেশনাল যানবাহন কেনার দুটি প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া ঢাকা সেনানিবাসের মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় বি-টাইপ কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবন নির্মাণে ১৭৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা এবং রাজধানীর জিগাতলার গাবতলা কলোনিতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণে ২০০ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।


দেশের পাঁচটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট (ইনমাস) স্থাপনে ৫৩৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৪১ হাজার ৯০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) অনুমোদন পেয়েছে।


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্পটি তৃতীয়বারের মতো সংশোধন করা হয়েছে। এ পর্যায়ে প্রকল্পটির ব্যয় ৫২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বাড়ানো হয়েছে।


সভায় মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com