সুনামগঞ্জ সদর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৩ নম্বর সুরমা ইউনিয়নের উন্নয়নবঞ্চিত জনপদের মানুষের অধিকার আদায় এবং বিশেষ করে নারীদের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান মোছা. ফাতেমা বেগম।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। নির্বাচনী এলাকার আমীরপুর, সদরগড়, কুরুতলা, পূর্ব সদরগড়, অক্ষয়নগর, ইব্রাহিমপুর, জগন্নাথপুর ও মঈনপুরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া, ভোট ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
নিজের নির্বাচনী ভাবনা তুলে ধরে মোছা. ফাতেমা বেগম বলেন, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের তুলনায় সুরমা ইউনিয়ন এমনিতেই অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। পুরো ইউনিয়নই যখন উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে, তখন ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের অবস্থা কতটা পিছিয়ে, তা তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন। উন্নয়নবঞ্চিত এসব এলাকার মানুষের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী।
নারীদের পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এলাকার নারী সমাজ এখনো বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। নির্বাচিত হলে নারীদের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান তিনি। বিশেষ করে অসহায় নারীদের বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, গর্ভকালীন ভাতাসহ সরকারি বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষ চিরকাল পৃথিবীতে বেঁচে থাকে না। তবে মানুষের ভালো কাজ ও কৃতিত্ব থেকে যায়। অর্থ-সম্পদ আজ আছে, কাল নাও থাকতে পারে; কিন্তু মানুষের ভালোবাসা চিরকাল বেঁচে থাকে। তাই মানুষের কল্যাণে এমন কিছু করতে চান, যাতে মৃত্যুর পরও মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখে।
ফাতেমা বেগমের প্রত্যাশা, এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে উন্নয়নবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নারীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ পাবেন তিনি।
সুনামগঞ্জ সদর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৩ নম্বর সুরমা ইউনিয়নের উন্নয়নবঞ্চিত জনপদের মানুষের অধিকার আদায় এবং বিশেষ করে নারীদের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান মোছা. ফাতেমা বেগম।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। নির্বাচনী এলাকার আমীরপুর, সদরগড়, কুরুতলা, পূর্ব সদরগড়, অক্ষয়নগর, ইব্রাহিমপুর, জগন্নাথপুর ও মঈনপুরসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া, ভোট ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
নিজের নির্বাচনী ভাবনা তুলে ধরে মোছা. ফাতেমা বেগম বলেন, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের তুলনায় সুরমা ইউনিয়ন এমনিতেই অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। পুরো ইউনিয়নই যখন উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে, তখন ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের অবস্থা কতটা পিছিয়ে, তা তিনি গভীরভাবে উপলব্ধি করেছেন। উন্নয়নবঞ্চিত এসব এলাকার মানুষের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা রাখতেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী।
নারীদের পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, এলাকার নারী সমাজ এখনো বিভিন্ন ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। নির্বাচিত হলে নারীদের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান তিনি। বিশেষ করে অসহায় নারীদের বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, গর্ভকালীন ভাতাসহ সরকারি বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে কাজ করবেন।
তিনি আরও বলেন, মানুষ চিরকাল পৃথিবীতে বেঁচে থাকে না। তবে মানুষের ভালো কাজ ও কৃতিত্ব থেকে যায়। অর্থ-সম্পদ আজ আছে, কাল নাও থাকতে পারে; কিন্তু মানুষের ভালোবাসা চিরকাল বেঁচে থাকে। তাই মানুষের কল্যাণে এমন কিছু করতে চান, যাতে মৃত্যুর পরও মানুষ তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখে।
ফাতেমা বেগমের প্রত্যাশা, এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে উন্নয়নবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নারীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ পাবেন তিনি।