Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৩ নভেম্বর ২০২৬ · ১২:০০ অপরাহ্ন

সন্ধ্যার পর অকারণে বাইরে আড্ডা দিলেই আটক, শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর বার্তা ডিআইজির

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

কক্সবাজার :

সন্ধ্যার পর বিনা কারণে ঘরের বাইরে ঘোরাফেরা বা আড্ডা দিতে দেখা গেলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হবে বলে সতর্ক করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। কিশোর অপরাধ ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, অপরাধে জড়িতদের পাশাপাশি প্রয়োজনে তাদের অভিভাবকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।


শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে জেলা পুলিশের আয়োজনে ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও সামাজিক অপরাধ দমন’ শীর্ষক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


ডিআইজি বলেন, স্কুল-কলেজে পড়াশোনায় মনোযোগী থাকার কথা যেসব শিক্ষার্থীর, তাদের অনেককে বিকেলের পর রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। কেউ কেউ রাস্তায় শিস দেয়, উচ্চ শব্দে হিন্দি গান বাজিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য বিরক্তিকর পরিবেশ তৈরি করে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক শাসন ও নজরদারির অভাব রয়েছে কি না, তা অভিভাবকদের ভেবে দেখা প্রয়োজন।


তিনি বলেন, কিশোর গ্যাং বলতে কিছু থাকবে না—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যারা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং কী ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হবে।


সামাজিকভাবে অপরাধ প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, কোনো এলাকায় কেউ অপরাধে জড়িয়ে পড়লে সেটিকে শুধু তার ব্যক্তিগত অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। পরিবার, প্রতিবেশী ও সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদেরও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রয়েছে।


নারীর প্রতি সহিংসতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আশপাশে কোথাও যৌতুকের জন্য কোনো নারী নির্যাতনের শিকার হলে সবাইকে সামাজিকভাবে এর প্রতিবাদ জানাতে হবে।


উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডিআইজি বলেন, উন্নয়ন বলতে শুধু ইট-পাথর ও দালানকোঠার উন্নয়ন বোঝায় না, মানুষের মানসিকতারও উন্নয়ন প্রয়োজন। অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।


সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান। এতে বক্তব্য দেন কক্সবাজার পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান এবং জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।


সমাবেশে বক্তারা নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কক্সবাজার :

সন্ধ্যার পর বিনা কারণে ঘরের বাইরে ঘোরাফেরা বা আড্ডা দিতে দেখা গেলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের আটক ও গ্রেপ্তার করা হবে বলে সতর্ক করেছেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। কিশোর অপরাধ ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, অপরাধে জড়িতদের পাশাপাশি প্রয়োজনে তাদের অভিভাবকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।


শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরির শহীদ সুভাষ হলে জেলা পুলিশের আয়োজনে ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও সামাজিক অপরাধ দমন’ শীর্ষক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


ডিআইজি বলেন, স্কুল-কলেজে পড়াশোনায় মনোযোগী থাকার কথা যেসব শিক্ষার্থীর, তাদের অনেককে বিকেলের পর রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। কেউ কেউ রাস্তায় শিস দেয়, উচ্চ শব্দে হিন্দি গান বাজিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য বিরক্তিকর পরিবেশ তৈরি করে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক শাসন ও নজরদারির অভাব রয়েছে কি না, তা অভিভাবকদের ভেবে দেখা প্রয়োজন।


তিনি বলেন, কিশোর গ্যাং বলতে কিছু থাকবে না—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যারা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে এবং কী ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হবে।


সামাজিকভাবে অপরাধ প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করে আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, কোনো এলাকায় কেউ অপরাধে জড়িয়ে পড়লে সেটিকে শুধু তার ব্যক্তিগত অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। পরিবার, প্রতিবেশী ও সমাজের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদেরও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রয়েছে।


নারীর প্রতি সহিংসতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আশপাশে কোথাও যৌতুকের জন্য কোনো নারী নির্যাতনের শিকার হলে সবাইকে সামাজিকভাবে এর প্রতিবাদ জানাতে হবে।


উন্নয়ন প্রসঙ্গে ডিআইজি বলেন, উন্নয়ন বলতে শুধু ইট-পাথর ও দালানকোঠার উন্নয়ন বোঝায় না, মানুষের মানসিকতারও উন্নয়ন প্রয়োজন। অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।


সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান। এতে বক্তব্য দেন কক্সবাজার পৌর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মাবুদ, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান এবং জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা।


সমাবেশে বক্তারা নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com