Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
৩১ অক্টোবর ২০২৬ · ১২:১৪ পূর্বাহ্ন

সুনামগঞ্জে গ্রেপ্তারের পর ছাত্রলীগ নেতা হাসপাতালে, নির্যাতনের অভিযোগ পরিবারের

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ অভিযোগ অস্বীকার পুলিশের; ওসির দাবি, খিঁচুনির সমস্যা ও শারীরিক দুর্বলতায় অসুস্থ হন প্রিন্স, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত
ছবি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জে গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতা। পুলিশের হেফাজতে তাঁকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। তবে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, আগে থেকেই শারীরিক দুর্বলতা ও খিঁচুনির সমস্যা থাকায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সর্বশেষ পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসকেরা তাঁকে পরীক্ষা করেছেন এবং বর্তমানে তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।


চিকিৎসাধীন ওই তরুণের নাম দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (১৯)। তিনি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে। তাঁর বাবার নাম দেওয়ান শাহ রুখ রাজা চৌধুরী। চলতি বছর তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।


গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে সুনামগঞ্জ শহরের নতুনপাড়া আবাসিক এলাকার বাসা থেকে তাঁকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, থানায় নেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে তাঁকে অচেতন অবস্থায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়। প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে সুবিদবাজারের কুইন্স প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


প্রিন্সের বাবা শাহ রুখ রাজা চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপপরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাঁদের বাসায় যায়। এ সময় ওসি রতন শেখের সঙ্গে কথা বলার জন্য তাঁর ছেলেকে থানায় নেওয়ার কথা জানানো হয়। পরে রাত দেড়টার দিকে পরিচিত একজনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ছেলে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে রয়েছে।


পরিবারের দাবি, পুলিশের আশ্বাসে ছেলেকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হলেও পরে তাঁকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে পাওয়া যায়। এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন প্রিন্সের বাবা।


অন্যদিকে, পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ। তাঁর ভাষ্য, প্রিন্সের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে এবং মামলার আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগে থেকেই তাঁর শারীরিক দুর্বলতা ও খিঁচুনির সমস্যা ছিল। থানার ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তিনি পড়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।


ওসি আরও জানান, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন চিকিৎসকসহ মোট চারজন চিকিৎসক প্রিন্সকে পরীক্ষা করেছেন। তাঁদের পরীক্ষায় শরীরে কোনো আঘাত বা নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। বর্তমানে প্রিন্স সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন এবং কথা বলছেন বলেও জানান ওসি।


ঘটনার বিষয়ে ওসি রতন শেখ বলেন, থানার সিসিটিভি ক্যামেরায় প্রিন্সের পড়ে যাওয়ার পুরো ঘটনা ধারণ করা হয়েছে এবং ফুটেজ সংরক্ষণ করা রয়েছে। পুলিশি হেফাজতে কোনো মারধর বা নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি দাবি করেন।


পরিবারের অভিযোগ এবং পুলিশের বক্তব্যের মধ্যে ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি নিয়ে ভিন্নতা রয়েছে। এ অবস্থায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন প্রিন্সের বাবা।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জে গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতা। পুলিশের হেফাজতে তাঁকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। তবে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, আগে থেকেই শারীরিক দুর্বলতা ও খিঁচুনির সমস্যা থাকায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। সর্বশেষ পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসকেরা তাঁকে পরীক্ষা করেছেন এবং বর্তমানে তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন।


চিকিৎসাধীন ওই তরুণের নাম দেওয়ান শাহনেওয়াজ চৌধুরী প্রিন্স (১৯)। তিনি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে। তাঁর বাবার নাম দেওয়ান শাহ রুখ রাজা চৌধুরী। চলতি বছর তিনি এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।


গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে সুনামগঞ্জ শহরের নতুনপাড়া আবাসিক এলাকার বাসা থেকে তাঁকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, থানায় নেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে তাঁকে অচেতন অবস্থায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়। প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে সুবিদবাজারের কুইন্স প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


প্রিন্সের বাবা শাহ রুখ রাজা চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপপরিদর্শক (এসআই) জাকারিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাঁদের বাসায় যায়। এ সময় ওসি রতন শেখের সঙ্গে কথা বলার জন্য তাঁর ছেলেকে থানায় নেওয়ার কথা জানানো হয়। পরে রাত দেড়টার দিকে পরিচিত একজনের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁর ছেলে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে রয়েছে।


পরিবারের দাবি, পুলিশের আশ্বাসে ছেলেকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হলেও পরে তাঁকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে পাওয়া যায়। এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন প্রিন্সের বাবা।


অন্যদিকে, পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ। তাঁর ভাষ্য, প্রিন্সের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রয়েছে এবং মামলার আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগে থেকেই তাঁর শারীরিক দুর্বলতা ও খিঁচুনির সমস্যা ছিল। থানার ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তিনি পড়ে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ সদস্যরা তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।


ওসি আরও জানান, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন চিকিৎসকসহ মোট চারজন চিকিৎসক প্রিন্সকে পরীক্ষা করেছেন। তাঁদের পরীক্ষায় শরীরে কোনো আঘাত বা নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। বর্তমানে প্রিন্স সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন এবং কথা বলছেন বলেও জানান ওসি।


ঘটনার বিষয়ে ওসি রতন শেখ বলেন, থানার সিসিটিভি ক্যামেরায় প্রিন্সের পড়ে যাওয়ার পুরো ঘটনা ধারণ করা হয়েছে এবং ফুটেজ সংরক্ষণ করা রয়েছে। পুলিশি হেফাজতে কোনো মারধর বা নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি বলেও তিনি দাবি করেন।


পরিবারের অভিযোগ এবং পুলিশের বক্তব্যের মধ্যে ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি নিয়ে ভিন্নতা রয়েছে। এ অবস্থায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন প্রিন্সের বাবা।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com