বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের বাহুবলে সরকারি অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিনজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আটক প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বাহুবল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়ীদ মুহাম্মদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন। এর আগে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—বাহুবল উপজেলার করিমপুর গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে ছালমান মিয়া (৩৫), পুরান মহুরী গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে ফজল ইসলাম (৩২) এবং হরিতলা গ্রামের খালেক মেম্বারের ছেলে রায়হান আহমদ নাবিল (৩৪)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুমতি ছাড়াই স্থানীয় নদী ও খাসজমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়ীদ মুহাম্মদ বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলন পরিবেশ ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের জন্য হুমকি। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী তাঁদের অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ফসলি জমি, রাস্তাঘাট ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের বাহুবলে সরকারি অনুমতি ছাড়া অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে তিনজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আটক প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাতে বাহুবল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়ীদ মুহাম্মদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন। এর আগে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—বাহুবল উপজেলার করিমপুর গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে ছালমান মিয়া (৩৫), পুরান মহুরী গ্রামের সঞ্জব আলীর ছেলে ফজল ইসলাম (৩২) এবং হরিতলা গ্রামের খালেক মেম্বারের ছেলে রায়হান আহমদ নাবিল (৩৪)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুমতি ছাড়াই স্থানীয় নদী ও খাসজমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়ীদ মুহাম্মদ বলেন, “অবৈধ বালু উত্তোলন পরিবেশ ও নদীর স্বাভাবিক প্রবাহের জন্য হুমকি। বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী তাঁদের অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ফসলি জমি, রাস্তাঘাট ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।