জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরে মাছ ধরা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন, জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও-চণ্ডীহেদায়েতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল বারীর ছেলে মতিউর রহমান (৫০) ও তাঁর আপন চাচাতো ভাই মুজিবুর রহমান (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চণ্ডীহেদায়েতপুর-পীরেরগাঁও গ্রামে হাওরে মাছ ধরা নিয়ে একই গ্রামের মৃত আছির উল্লাহর ছেলে আবুল কাশেম ও আরব উল্লাহর ছেলে আলমগীর মিয়ার মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মতিউর রহমান ও মুজিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। এ সময় আরও অন্তত ১০ জন আহত হন বলে জানা গেছে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত মতিউর রহমানকে উদ্ধার করে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, গুরুতর আহত মুজিবুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—চণ্ডীহেদায়েতপুর-পীরেরগাঁও গ্রামের মৃত আছির উল্লাহর ছেলে আবুল কাশেম (৫৫), তাঁর স্ত্রী ছায়ারুন বেগম (৪০), সেবুল মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) এবং জামাল হোসেনের স্ত্রী বাহারুন বেগম (৫০)।
জগন্নাথপুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই নূর হোসেন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের হয়নি বলে জানা গেছে।
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরে মাছ ধরা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন, জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের পীরেরগাঁও-চণ্ডীহেদায়েতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল বারীর ছেলে মতিউর রহমান (৫০) ও তাঁর আপন চাচাতো ভাই মুজিবুর রহমান (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চণ্ডীহেদায়েতপুর-পীরেরগাঁও গ্রামে হাওরে মাছ ধরা নিয়ে একই গ্রামের মৃত আছির উল্লাহর ছেলে আবুল কাশেম ও আরব উল্লাহর ছেলে আলমগীর মিয়ার মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মতিউর রহমান ও মুজিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। এ সময় আরও অন্তত ১০ জন আহত হন বলে জানা গেছে।
পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত মতিউর রহমানকে উদ্ধার করে জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে, গুরুতর আহত মুজিবুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—চণ্ডীহেদায়েতপুর-পীরেরগাঁও গ্রামের মৃত আছির উল্লাহর ছেলে আবুল কাশেম (৫৫), তাঁর স্ত্রী ছায়ারুন বেগম (৪০), সেবুল মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) এবং জামাল হোসেনের স্ত্রী বাহারুন বেগম (৫০)।
জগন্নাথপুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই নূর হোসেন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে তিন নারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা দায়ের হয়নি বলে জানা গেছে।