Template: 2
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
লিংক channeljaintanews24.com ক্যাটাগরি সিলেট রিপোর্ট চ্যানেল জৈন্তা নিউজ

গোয়াইনঘাটে বদরুল আলম হত্যা মামলা: সুনামগঞ্জ থেকে দুই আসামি গ্রেপ্তার

২৬ অক্টোবর ২০২৬ • ১১:২৮ অপরাহ্ন

সিলেট :

সিলেটের গোয়াইনঘাটে পূর্ববিরোধের জেরে বদরুল আলম হত্যা মামলায় সুনামগঞ্জ থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে সুনামগঞ্জের দিরাই থানা এলাকার পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোয়াইনঘাট উপজেলার গোরাগ্রাম এলাকার মামুনুর রশীদ (৩৬) ও সুয়াইবুর রহমান ওরফে ছুবুর (৩৮)। তাঁরা এ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৪ ও ৬ নম্বর আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।


এসআরবি-৯-এর ২৬ অক্টোবরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।


পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, নিহত বদরুল আলম সিলেটের গোয়াইনঘাট থানাধীন হাদারপার গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি গোয়াইনঘাট থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে বালু-পাথরসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ব্যবসায়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর পূর্ববিরোধ চলছিল। ওই বিরোধের জেরে তাঁকে প্রায়ই হত্যার হুমকি দেওয়া হতো বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বদরুল আলম তাঁর ব্যবসায়িক কাজে সহযোগী ছাদেক আলীকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন ১১ অক্টোবর ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে ব্যবসায়িক কাজ শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে গোয়াইনঘাট থানাধীন বিছনাকান্দি ইউনিয়নের গোরাগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর পথরোধ করেন।


এ সময় পথরোধের কারণ জানতে চাইলে ৬ নম্বর আসামি সুয়াইবুর রহমান ছুবুর নির্দেশে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বদরুল আলমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে সহযোগী ছাদেক আলীকেও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আহত করা হয় বলে পুলিশ জানায়।


পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা বদরুল আলমকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


মামলার পর আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে এসআরবি-৯। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬ অক্টোবর রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে সুনামগঞ্জের দিরাই থানাধীন উশনপুর এলাকায় এবং রাত ৪টা ৪০ মিনিটে একই থানার নন্দীপুর এলাকায় যৌথ অভিযান চালানো হয়। এসআরবি-৯-এর সদর কোম্পানি, সিলেট এবং সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের যৌথ অভিযানে মামলার এজাহারনামীয় ৪ ও ৬ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তার দুজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


এসআরবি-৯ আরও জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন channeljaintanews24.com