Template: 2
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
লিংক channeljaintanews24.com ক্যাটাগরি সিলেট রিপোর্ট চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
দেশজুড়ে ৩৮ জেলায় ৪ হাজার ৮৩৯ জনের নাম; সিলেটের বিভিন্ন সীমান্তপথে মাদক, অস্ত্র ও পণ্য পাচারের তথ্য

সিলেটে গোয়েন্দা তালিকায় ৫১৬ জন, চোরাচালানের অভিযোগ ছয় উপজেলার সীমান্তে

২৬ অক্টোবর ২০২৬ • ১১:২১ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট:


দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক সক্রিয় থাকার তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে। প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমার থেকে মাদক, অস্ত্র, গবাদিপশু এবং বিভিন্ন ধরনের পণ্য অবৈধভাবে আনা-নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় দেশের ৩৮ জেলার ৪ হাজার ৮৩৯ জনের নাম গোয়েন্দা তালিকায় রয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট বিভাগের ৫১৬ জনের নাম রয়েছে।


সিলেটভিউ২৪-এ সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনটির সূত্র হিসেবে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।


সিলেট, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জে যাঁদের নাম রয়েছে


প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সিলেট জেলায় ১১০ জন, মৌলভীবাজারে ১৫৭ জন এবং সুনামগঞ্জে ১০৫ জনের নাম গোয়েন্দা তালিকায় রয়েছে। তবে এই তিন জেলার সংখ্যা যোগ করলে মোট দাঁড়ায় ৩৭২ জন, যা সিলেট বিভাগের উল্লেখিত ৫১৬ জনের চেয়ে ১৪৪ জন কম। হবিগঞ্জ জেলার সংখ্যা ও বিভাগীয় হিসাবের বিস্তারিত বিভাজন প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি।


সিলেটের যেসব এলাকার নাম এসেছে


প্রতিবেদনে সিলেট জেলার বিভিন্ন এলাকার যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কানাইঘাটের চারিকাটার শাহজাহান মিয়া, ডাউকেরগুলের হাসান আলী, মিকিরপাড়ার মইনুল ইসলাম ও বালিছড়ার সোহেল উদ্দিন।


এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জের লামাগ্রামের আলাল মিয়া; গোয়াইনঘাটের দমদমা হাওরের ফরচান, বিছনাকান্দির আবুল হোসেন ও তামাবিলের আবদুর রহমানের নাম রয়েছে।


জকিগঞ্জের খাসিরচরের জালাল, গঙ্গাজলের সিহাব, পীরের চকের উজ্জ্বল, ঘিলাতৈলের শামসুল হক ও হরিপুরের আবদুর রশিদের নামও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


অন্যদিকে, জৈন্তাপুরের নিশ্চিন্তপুরের জহিরুল ও লামাবস্তির সুমন মিয়া, ফেঞ্চুগঞ্জের ফয়সাল আহমেদ এবং বিয়ানীবাজারের বাঙ্গালহুদার আবু হানিফ, টেকের কোনার বিল্লাল হোসেন ও গজুকাটার সাদেক মিয়ার নাম রয়েছে।


নজরদারিতে ছয় উপজেলার সীমান্তপথ


গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে প্রতিবেদনে সিলেটের কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট, জকিগঞ্জ, জৈন্তাপুর ও বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্টে চোরাচালানের অভিযোগের কথা বলা হয়েছে।


এসব পথে মাদক, অস্ত্র, গবাদিপশু এবং বিদেশি পণ্য অবৈধভাবে আনা-নেওয়ার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নজরদারি করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে নজরদারি জোরদার করার পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


তালিকাভুক্তি অপরাধ প্রমাণ নয়


গোয়েন্দা তালিকায় নাম থাকা মানেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অপরাধ করেছেন—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। তাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, মামলা, গ্রেপ্তার কিংবা আদালতের রায়ের তথ্য পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যও নেওয়া জরুরি।


একই সঙ্গে সিলেট বিভাগের ৫১৬ জনের তালিকার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবং জেলাভিত্তিক হিসাব প্রকাশ করা হলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য আরও স্পষ্ট হবে।

বিজ্ঞাপন channeljaintanews24.com