বড়লেখা প্রতিনিধি:
ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সবার এক—সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই বার্তা নিয়ে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ২ নম্বর দাসের বাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মুহিবুর রহমান কলিম। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির হাতে সৌজন্যমূলক আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন, পূজার সার্বিক পরিবেশ ও সংশ্লিষ্টদের খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে মুহিবুর রহমান কলিম বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করেন। একে অপরের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোই আমাদের প্রত্যাশা। শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করতেই আমি পূজামণ্ডপগুলোতে এসেছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি এখানে কোনো ধর্মের মানুষ হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবে আপনাদের কাছে এসেছি। আমাদের পরিচয় ভিন্ন হতে পারে, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু আমরা সবাই একই সমাজের মানুষ, একই এলাকার বাসিন্দা। একজনের আনন্দে অন্যজন আনন্দিত হওয়া এবং বিপদে-আপদে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবতা।”
মুহিবুর রহমান কলিম বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সব ধর্মের মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ সবার ঘরে ছড়িয়ে পড়ুক এবং প্রতিটি মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে উৎসব উদ্যাপন করুক—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।
এ সময় পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির দায়িত্বশীলরা বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দঘন সময়ে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে শুভেচ্ছা জানানো এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া সম্প্রীতির একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। ধর্মীয় উৎসবে এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ উপস্থিতি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করে।
তাঁরা আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনকালে দাসের বাজার ইউনিয়নের প্রবীণ মুরব্বি, যুবসমাজ ও তরুণ সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মুহিবুর রহমান কলিমের এই পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।
বড়লেখা প্রতিনিধি:
ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সবার এক—সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই বার্তা নিয়ে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার ২ নম্বর দাসের বাজার ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মুহিবুর রহমান কলিম। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির হাতে সৌজন্যমূলক আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন, পূজার সার্বিক পরিবেশ ও সংশ্লিষ্টদের খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে মুহিবুর রহমান কলিম বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করেন। একে অপরের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোই আমাদের প্রত্যাশা। শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করতেই আমি পূজামণ্ডপগুলোতে এসেছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি এখানে কোনো ধর্মের মানুষ হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবে আপনাদের কাছে এসেছি। আমাদের পরিচয় ভিন্ন হতে পারে, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু আমরা সবাই একই সমাজের মানুষ, একই এলাকার বাসিন্দা। একজনের আনন্দে অন্যজন আনন্দিত হওয়া এবং বিপদে-আপদে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত মানবতা।”
মুহিবুর রহমান কলিম বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সব ধর্মের মানুষের ভালোবাসা ও বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দ সবার ঘরে ছড়িয়ে পড়ুক এবং প্রতিটি মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে উৎসব উদ্যাপন করুক—এটাই তাঁর প্রত্যাশা।
এ সময় পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির দায়িত্বশীলরা বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার আনন্দঘন সময়ে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে শুভেচ্ছা জানানো এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া সম্প্রীতির একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। ধর্মীয় উৎসবে এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ উপস্থিতি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার করে।
তাঁরা আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনকালে দাসের বাজার ইউনিয়নের প্রবীণ মুরব্বি, যুবসমাজ ও তরুণ সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মুহিবুর রহমান কলিমের এই পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।