Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৬ অক্টোবর ২০২৬ · ০১:১১ অপরাহ্ন

সিলেটে বাস-টমটমের মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-মেয়ের মৃত্যু: অভিযুক্ত চালক নাসির গ্রেপ্তার

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

সিলেট:

সিলেটে বাস ও টমটমের মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত বাসচালক মো. নাসির মিয়াকে (৪৭) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানাধীন ঢাকা দক্ষিণ পশ্চিম বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।


এসআরবি-৯-এর সদর দপ্তর থেকে ১৫ অক্টোবর  পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১০ অক্টোবর বিকেলে সিলেট মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানাধীন লালবাগ এলাকার বাসিন্দা ও মামলার বাদী সামির আহমেদের অসুস্থ মেয়ে ইনিয়া জান্নাতকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান তাঁর স্ত্রী সুমাইয়া সিদ্দিকা তানিয়া ও বড় বোন তানিয়া বেগম। তাঁরা টমটমযোগে নতুন বাজারের একটি ফার্মেসিতে যান।


চিকিৎসা শেষে ওষুধ নিয়ে অন্য যাত্রীদের সঙ্গে টমটমে বাড়ি ফেরার পথে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে এয়ারপোর্ট থানাধীন কেওয়াছড়া এলাকার বুড়িবন্তি ব্রিজের ওপর সিলেটগামী একটি বাসের সঙ্গে টমটমটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।


এতে টমটমে থাকা সুমাইয়া সিদ্দিকা তানিয়া, মেয়ে ইনিয়া জান্নাত, বড় বোন তানিয়া বেগমসহ অন্য যাত্রীরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বাদীর ভাই সুমন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।


হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে সুমাইয়া সিদ্দিকা তানিয়া ও ইনিয়া জান্নাত মারা যান। আহত তানিয়া বেগম ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ ঘটনায় নিহতদের স্বামী সামির আহমেদ বাদী হয়ে সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।


এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে এসআরবি-৯-এর সদর কোম্পানির একটি অভিযানিক দল গোলাপগঞ্জ থানাধীন ঢাকা দক্ষিণ পশ্চিম বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নাসির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।


গ্রেপ্তার নাসির মিয়া (৪৭) সিলেটের এয়ারপোর্ট থানাধীন পীরেরগাঁও এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম সামছুল হক। এয়ারপোর্ট থানার মামলা নম্বর ১৩, তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৬; সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৯৮/১০৫ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।


গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


এসআরবি-৯ জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সিলেট:

সিলেটে বাস ও টমটমের মুখোমুখি সংঘর্ষে মা-মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত বাসচালক মো. নাসির মিয়াকে (৪৭) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানাধীন ঢাকা দক্ষিণ পশ্চিম বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।


এসআরবি-৯-এর সদর দপ্তর থেকে ১৫ অক্টোবর  পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১০ অক্টোবর বিকেলে সিলেট মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানাধীন লালবাগ এলাকার বাসিন্দা ও মামলার বাদী সামির আহমেদের অসুস্থ মেয়ে ইনিয়া জান্নাতকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান তাঁর স্ত্রী সুমাইয়া সিদ্দিকা তানিয়া ও বড় বোন তানিয়া বেগম। তাঁরা টমটমযোগে নতুন বাজারের একটি ফার্মেসিতে যান।


চিকিৎসা শেষে ওষুধ নিয়ে অন্য যাত্রীদের সঙ্গে টমটমে বাড়ি ফেরার পথে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে এয়ারপোর্ট থানাধীন কেওয়াছড়া এলাকার বুড়িবন্তি ব্রিজের ওপর সিলেটগামী একটি বাসের সঙ্গে টমটমটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।


এতে টমটমে থাকা সুমাইয়া সিদ্দিকা তানিয়া, মেয়ে ইনিয়া জান্নাত, বড় বোন তানিয়া বেগমসহ অন্য যাত্রীরা শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বাদীর ভাই সুমন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।


হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন রাত আনুমানিক ৮টা ৫০ মিনিটে সুমাইয়া সিদ্দিকা তানিয়া ও ইনিয়া জান্নাত মারা যান। আহত তানিয়া বেগম ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


এ ঘটনায় নিহতদের স্বামী সামির আহমেদ বাদী হয়ে সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।


এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে এসআরবি-৯-এর সদর কোম্পানির একটি অভিযানিক দল গোলাপগঞ্জ থানাধীন ঢাকা দক্ষিণ পশ্চিম বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নাসির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।


গ্রেপ্তার নাসির মিয়া (৪৭) সিলেটের এয়ারপোর্ট থানাধীন পীরেরগাঁও এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম সামছুল হক। এয়ারপোর্ট থানার মামলা নম্বর ১৩, তারিখ ১২ অক্টোবর ২০২৬; সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৯৮/১০৫ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।


গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


এসআরবি-৯ জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com