Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১০ অক্টোবর ২০২৬ · ০৭:৪৯ অপরাহ্ন

কারখানা পরিদর্শনে বাধা দিলে ব্যবস্থা, অনিয়ম বরদাশত নয়: শ্রমমন্ত্রী

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ শ্রম পরিদর্শনে অনিয়ম বরদাশত নয়, জবাবদিহি বাড়ানোর নির্দেশ শ্রমমন্ত্রীর
ছবি

সিলেট : শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে শ্রম পরিদর্শকদের পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, কলকারখানায় কাঠামোগত, বৈদ্যুতিক ও অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর পরিদর্শন জোরদার করতে হবে।


শনিবার (১০ অক্টোবর) সিলেটের রোজ ভিউ হোটেলে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) শ্রম পরিদর্শকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রশিক্ষণে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ এবং কলকারখানার কাঠামোগত, বৈদ্যুতিক ও অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।


মন্ত্রী বলেন, অনেক কারখানায় অগ্নিনির্গমন পথের অভাব, বৈদ্যুতিক ত্রুটি এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ব্যবহারে প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় শ্রমিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর রাখতে হবে। পরিদর্শনের সময় কোনো কারখানায় লাইসেন্সের ঘাটতি কিংবা নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘনের বিষয় নজরে এলে তা নথিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।


তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় একজন দক্ষ শ্রমিকের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়; এটি দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতার জন্যও বড় ক্ষতি। তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


শ্রম পরিদর্শকদের দায়িত্ব পালনে বাধা বা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, কোনো কারখানা পরিদর্শনে বাধা দেওয়া হলে কিংবা দায়িত্ব পালনে অসহযোগিতা করা হলে তা মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। দায়িত্ব পালনে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দেওয়া কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করা হবে। অন্যদিকে, পরিদর্শন কার্যক্রমে অনিয়ম ও দায়িত্বহীনতা বরদাশত করা হবে না।


নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকে সরকারের অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শ্রমিকের মর্যাদা রক্ষা, শ্রম আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ এবং এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭ ও ১৯০ বাস্তবায়নের উদ্যোগ জোরদার এবং সময়োপযোগী শ্রম পরিদর্শন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।


কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. ফরহাদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইএলও বাংলাদেশের টেকনিক্যাল অফিসার ওলে জাস্টেনসেন এবং সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নূর।


এ সময় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিলেট : শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে শ্রম পরিদর্শকদের পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেছেন, কলকারখানায় কাঠামোগত, বৈদ্যুতিক ও অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর পরিদর্শন জোরদার করতে হবে।


শনিবার (১০ অক্টোবর) সিলেটের রোজ ভিউ হোটেলে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডিআইএফই) শ্রম পরিদর্শকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রশিক্ষণে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ এবং কলকারখানার কাঠামোগত, বৈদ্যুতিক ও অগ্নিনিরাপত্তার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।


মন্ত্রী বলেন, অনেক কারখানায় অগ্নিনির্গমন পথের অভাব, বৈদ্যুতিক ত্রুটি এবং অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ব্যবহারে প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলায় শ্রমিকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর রাখতে হবে। পরিদর্শনের সময় কোনো কারখানায় লাইসেন্সের ঘাটতি কিংবা নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘনের বিষয় নজরে এলে তা নথিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।


তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় একজন দক্ষ শ্রমিকের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের ক্ষতি নয়; এটি দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতার জন্যও বড় ক্ষতি। তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


শ্রম পরিদর্শকদের দায়িত্ব পালনে বাধা বা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, কোনো কারখানা পরিদর্শনে বাধা দেওয়া হলে কিংবা দায়িত্ব পালনে অসহযোগিতা করা হলে তা মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। দায়িত্ব পালনে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দেওয়া কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করা হবে। অন্যদিকে, পরিদর্শন কার্যক্রমে অনিয়ম ও দায়িত্বহীনতা বরদাশত করা হবে না।


নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করাকে সরকারের অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শ্রমিকের মর্যাদা রক্ষা, শ্রম আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ এবং এর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭ ও ১৯০ বাস্তবায়নের উদ্যোগ জোরদার এবং সময়োপযোগী শ্রম পরিদর্শন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।


কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. ফরহাদ সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. শামসুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইএলও বাংলাদেশের টেকনিক্যাল অফিসার ওলে জাস্টেনসেন এবং সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস উন নূর।


এ সময় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com