ছাতক প্রতিনিধি: ভারতের কাশ্মীরে নিখোঁজ হওয়ার পর সুনামগঞ্জের ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তিন যুবকই বাড়ি ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) অসুস্থ অবস্থায় তাঁরা নিজ নিজ বাড়িতে ফেরেন। তাঁদের ফিরে আসার খবরে পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ফিরে আসা তিন যুবকের মধ্যে ছাতক উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের সৈদেরগাঁও গ্রামের সোহেল মিয়া বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বাড়িতে পৌঁছান। তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো নয় বলে জানা গেছে। সোহেল মিয়া জানিয়েছেন, আয়াছ আলী ও আলা উদ্দিন তখন বাড়ির পথে ছিলেন। পরে তাঁরাও বাড়িতে ফিরে আসেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের শারীরিক অবস্থাও ভালো নয় বলে জানা গেছে।
নিখোঁজ তিন যুবক হলেন—সৈদেরগাঁও গ্রামের সোহেল মিয়া ও আয়াছ আলী এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার জালিয়ারপাড় গ্রামের আলা উদ্দিন। আলা উদ্দিন সৈদেরগাঁও গ্রামের সমতেরা বেগমের জামাতা।
পরিবারের অভিযোগ, দালালের খপ্পরে পড়ে তাঁরা নিখোঁজ হন। কিছুদিন পর ভারতের কাশ্মীরে তাঁদের সন্ধান পাওয়া গেলেও পরবর্তী সময়ে পরিবারের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে তাঁদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়।
এ ঘটনায় সমতেরা বেগম ছাতক থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নিখোঁজদের সন্ধান ও তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পুলিশ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে কীভাবে ওই তিন যুবক নিখোঁজ হয়েছিলেন, কাশ্মীরে কী পরিস্থিতিতে ছিলেন এবং কীভাবে দেশে ফিরেছেন—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার পর পরবর্তী সময়ে তা প্রকাশ করা হবে।
দীর্ঘ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার পর অসুস্থ অবস্থায় তিন যুবকের বাড়ি ফেরায় তাঁদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
ছাতক প্রতিনিধি: ভারতের কাশ্মীরে নিখোঁজ হওয়ার পর সুনামগঞ্জের ছাতক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তিন যুবকই বাড়ি ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) অসুস্থ অবস্থায় তাঁরা নিজ নিজ বাড়িতে ফেরেন। তাঁদের ফিরে আসার খবরে পরিবারগুলোর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ফিরে আসা তিন যুবকের মধ্যে ছাতক উপজেলার সিংচাপইড় ইউনিয়নের সৈদেরগাঁও গ্রামের সোহেল মিয়া বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বাড়িতে পৌঁছান। তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো নয় বলে জানা গেছে। সোহেল মিয়া জানিয়েছেন, আয়াছ আলী ও আলা উদ্দিন তখন বাড়ির পথে ছিলেন। পরে তাঁরাও বাড়িতে ফিরে আসেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। তাঁদের শারীরিক অবস্থাও ভালো নয় বলে জানা গেছে।
নিখোঁজ তিন যুবক হলেন—সৈদেরগাঁও গ্রামের সোহেল মিয়া ও আয়াছ আলী এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার জালিয়ারপাড় গ্রামের আলা উদ্দিন। আলা উদ্দিন সৈদেরগাঁও গ্রামের সমতেরা বেগমের জামাতা।
পরিবারের অভিযোগ, দালালের খপ্পরে পড়ে তাঁরা নিখোঁজ হন। কিছুদিন পর ভারতের কাশ্মীরে তাঁদের সন্ধান পাওয়া গেলেও পরবর্তী সময়ে পরিবারের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে তাঁদের স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়।
এ ঘটনায় সমতেরা বেগম ছাতক থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নিখোঁজদের সন্ধান ও তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পুলিশ ভূমিকা রেখেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে কীভাবে ওই তিন যুবক নিখোঁজ হয়েছিলেন, কাশ্মীরে কী পরিস্থিতিতে ছিলেন এবং কীভাবে দেশে ফিরেছেন—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার পর পরবর্তী সময়ে তা প্রকাশ করা হবে।
দীর্ঘ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার পর অসুস্থ অবস্থায় তিন যুবকের বাড়ি ফেরায় তাঁদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।