শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার):
দেশের বিদ্যমান জেলা স্টেডিয়ামগুলো আধুনিকায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর ২০২৬) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ক্রিকেট একাডেমির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন করে বড় অবকাঠামো নির্মাণের আগে দেশের বিদ্যমান মাঠ ও স্টেডিয়ামগুলো সংস্কার করে সর্বোচ্চ ব্যবহারোপযোগী করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত খেলাধুলার একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি জানান, জেলা স্টেডিয়ামগুলোতে ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার, ভলিবল, টেবিল টেনিস, দাবা, আর্চারি, শুটিং ও হকিসহ বিভিন্ন খেলাধুলার নিয়মিত আয়োজনের সুযোগ তৈরি করা হবে। এ লক্ষ্যে দেশের জেলা স্টেডিয়াম আধুনিকায়নে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এবং প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। স্টেডিয়ামগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে গ্যালারি, ড্রেসিং রুম, প্রেস বক্সসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
শ্রীমঙ্গল ক্রিকেট একাডেমি প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, একাডেমির পাশাপাশি স্থানীয় মাঠ, ড্রেসিং রুমসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এদিন তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থানও পরিদর্শন করেন এবং সেখানে গাছের চারা রোপণ করেন।
দেশের তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নগরীর ওয়ার্ড পর্যায়েও ছোট মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাধুলার সুযোগ বাড়িয়ে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিভিন্ন ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অবৈধভাবে দখল হয়ে থাকা মাঠ ও স্টেডিয়াম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব খেলার মাঠ অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে, সেগুলো দখলমুক্ত করে খেলাধুলার উপযোগী করার জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সাফল্যের লক্ষ্য তুলে ধরে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু অংশগ্রহণ নয়, সম্ভাবনাময় খেলাগুলোতে পদকের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসের মতো আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশীদ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু, বিসিবি পরিচালক সরফরাজ আহমদ সরফুসহ ক্রীড়া সংগঠক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ক্রিকেট একাডেমি ও ক্রিকেট খেলোয়াড়দের জন্য নির্মিত ড্রেসিং রুমের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার):
দেশের বিদ্যমান জেলা স্টেডিয়ামগুলো আধুনিকায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর ২০২৬) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ক্রিকেট একাডেমির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন করে বড় অবকাঠামো নির্মাণের আগে দেশের বিদ্যমান মাঠ ও স্টেডিয়ামগুলো সংস্কার করে সর্বোচ্চ ব্যবহারোপযোগী করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত খেলাধুলার একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি জানান, জেলা স্টেডিয়ামগুলোতে ফুটবল, ক্রিকেট, সাঁতার, ভলিবল, টেবিল টেনিস, দাবা, আর্চারি, শুটিং ও হকিসহ বিভিন্ন খেলাধুলার নিয়মিত আয়োজনের সুযোগ তৈরি করা হবে। এ লক্ষ্যে দেশের জেলা স্টেডিয়াম আধুনিকায়নে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এবং প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে। স্টেডিয়ামগুলোকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে গ্যালারি, ড্রেসিং রুম, প্রেস বক্সসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
শ্রীমঙ্গল ক্রিকেট একাডেমি প্রসঙ্গে আমিনুল হক বলেন, একাডেমির পাশাপাশি স্থানীয় মাঠ, ড্রেসিং রুমসহ প্রয়োজনীয় ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এদিন তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত স্থানও পরিদর্শন করেন এবং সেখানে গাছের চারা রোপণ করেন।
দেশের তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নগরীর ওয়ার্ড পর্যায়েও ছোট মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাধুলার সুযোগ বাড়িয়ে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিভিন্ন ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অবৈধভাবে দখল হয়ে থাকা মাঠ ও স্টেডিয়াম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেসব খেলার মাঠ অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে, সেগুলো দখলমুক্ত করে খেলাধুলার উপযোগী করার জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সাফল্যের লক্ষ্য তুলে ধরে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু অংশগ্রহণ নয়, সম্ভাবনাময় খেলাগুলোতে পদকের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে বছরব্যাপী প্রশিক্ষণ ও প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসের মতো আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশীদ, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার মো. ওয়াহিদুজ্জামান রাজু, বিসিবি পরিচালক সরফরাজ আহমদ সরফুসহ ক্রীড়া সংগঠক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ক্রিকেট একাডেমি ও ক্রিকেট খেলোয়াড়দের জন্য নির্মিত ড্রেসিং রুমের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।