সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জ শহরের বনানীপাড়া এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলার কক্ষে প্রায় ১৪ ঘণ্টা আটকা থাকার পর পাঁচ ছাত্রীকে দরজা ভেঙে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। শনিবার (৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সবাই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শহরের বনানীপাড়া আবাসিক এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ও কয়লা ব্যবসায়ী মো. সামছুল হকের তিনতলা ভবনের একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে চার ছাত্রী থাকতেন। তাঁদের মধ্যে দুজন কলেজছাত্রী এবং দুজন নার্সিংয়ে ভর্তিচ্ছু। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে কক্ষটির স্টিলের দরজার লক অকেজো হয়ে যাওয়ায় ভেতর থেকে দরজা আর খোলা সম্ভব হচ্ছিল না। এ সময় বাড়ির মালিকের কলেজপড়ুয়া মেয়েও ওই কক্ষে থাকায় মোট পাঁচজন ভেতরে আটকা পড়েন।
ছাত্রীরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও দরজা খুলতে পারেননি। রাতভর কক্ষের ভেতরে থাকার পর শনিবার সকালেও তারা বের হতে পারেননি। পরে বিষয়টি বাড়ির মালিক সামছুল হক ফায়ার সার্ভিসকে জানান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশের উপস্থিতিতে কক্ষটির দরজা ভেঙে পাঁচ ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।
সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউস পরিদর্শক সুবল চন্দ্র দেবনাথ জানান, বনানীপাড়ার একটি বাসার তৃতীয় তলায় পাঁচজন ছাত্রী কক্ষের ভেতরে আটকা পড়েছেন—এমন জরুরি ফোন পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে সদর থানার ওসির উপস্থিতিতে দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ছাত্রীরা সুস্থ রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, সকাল ১১টার পর ফায়ার সার্ভিসের কাছ থেকে তিনি পাঁচ ছাত্রী কক্ষে আটকা পড়ার খবর পান। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করেন।
ওসি আরও জানান, ছাত্রী ও বাসার মালিকের কাছ থেকে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টা থেকেই কক্ষটির দরজা খোলা যাচ্ছিল না। দীর্ঘ সময় তারা ভেতরে আটকা ছিলেন। বিষয়টি রাতেই পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে আরও আগেই তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হতো বলে জানান তিনি।
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জ শহরের বনানীপাড়া এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলার কক্ষে প্রায় ১৪ ঘণ্টা আটকা থাকার পর পাঁচ ছাত্রীকে দরজা ভেঙে উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। শনিবার (৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সবাই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শহরের বনানীপাড়া আবাসিক এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য ও কয়লা ব্যবসায়ী মো. সামছুল হকের তিনতলা ভবনের একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে চার ছাত্রী থাকতেন। তাঁদের মধ্যে দুজন কলেজছাত্রী এবং দুজন নার্সিংয়ে ভর্তিচ্ছু। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে কক্ষটির স্টিলের দরজার লক অকেজো হয়ে যাওয়ায় ভেতর থেকে দরজা আর খোলা সম্ভব হচ্ছিল না। এ সময় বাড়ির মালিকের কলেজপড়ুয়া মেয়েও ওই কক্ষে থাকায় মোট পাঁচজন ভেতরে আটকা পড়েন।
ছাত্রীরা বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও দরজা খুলতে পারেননি। রাতভর কক্ষের ভেতরে থাকার পর শনিবার সকালেও তারা বের হতে পারেননি। পরে বিষয়টি বাড়ির মালিক সামছুল হক ফায়ার সার্ভিসকে জানান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশের উপস্থিতিতে কক্ষটির দরজা ভেঙে পাঁচ ছাত্রীকে উদ্ধার করেন।
সুনামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ওয়ারহাউস পরিদর্শক সুবল চন্দ্র দেবনাথ জানান, বনানীপাড়ার একটি বাসার তৃতীয় তলায় পাঁচজন ছাত্রী কক্ষের ভেতরে আটকা পড়েছেন—এমন জরুরি ফোন পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে সদর থানার ওসির উপস্থিতিতে দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ছাত্রীরা সুস্থ রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, সকাল ১১টার পর ফায়ার সার্ভিসের কাছ থেকে তিনি পাঁচ ছাত্রী কক্ষে আটকা পড়ার খবর পান। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে দরজা ভেঙে তাদের উদ্ধার করেন।
ওসি আরও জানান, ছাত্রী ও বাসার মালিকের কাছ থেকে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টা থেকেই কক্ষটির দরজা খোলা যাচ্ছিল না। দীর্ঘ সময় তারা ভেতরে আটকা ছিলেন। বিষয়টি রাতেই পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হলে আরও আগেই তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হতো বলে জানান তিনি।