সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের পুরান বাঁশতলা গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে তিন বোনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও মারধর করে জোরপূর্বক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে মোস্তফা গাজী ও তাঁর স্বজনদের উদ্যোগে পুরান বাঁশতলা গ্রামের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত লোকজন অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী মোস্তফা গাজী, সূর্যবান বিবি, এরশাদ আলী, নুর জাহান বেগম, আমেনা খাতুন, আব্দুল মনাফ, লোকমান হেকিম, মনফর আলী, শফিক মিয়া, সুরজ, মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, সিরাজুল ইসলাম, সুরুজ মিয়া ও মঈনুল হোসেনসহ অনেকে।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, চলতি বছরের ২৮ আগস্ট মোস্তফা গাজীর স্ত্রী সূর্যবান বিবি ও তাঁর দুই বোনকে পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে তাঁদের মারধর, ভয়ভীতি ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছয়টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়া হয়। অভিযোগে নুরুল ইসলাম, আব্দুল জলিল, ঝর্ণা বেগম ও জামাল মিয়াসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাঁদের পিতা আনছর আলীর মৃত্যুর পর বাঁশতলা মৌজার জে.এল. নং-২, খতিয়ান নং-২৭ এবং ৮০১, ৮০২ ও ৮০৩ দাগভুক্ত জমি নিয়ে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তাঁদের দাবি, রেকর্ডীয় প্রায় সাড়ে ৮ কেদার আমন রকম ভূমির মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ কেদার জমির অধিকার থেকে তিন বোনকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে তাঁদের কাছ থেকে ওই স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়া হয়েছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, সূর্যবান বিবি, তাঁর বোন নুর জাহান বেগম ও রুকিয়া বেগমসহ তাঁদের ভাই-বোনদের পিতা আনছর আলী জীবদ্দশায় উল্লিখিত জমি ভোগদখলে ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তিন বোনকে বাকি সম্পত্তির অধিকার থেকেও বঞ্চিত করতে তাঁদের বিভিন্নভাবে হুমকি, হামলা ও মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় সূর্যবান বিবি বাদী হয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর দোয়ারাবাজার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলাটির সিআর নম্বর ৩৯৪/২৬। মামলায় তাঁর দুই ভাই নুরুল ইসলাম ও আব্দুল জলিল, ভাবী ঝর্ণা বেগম এবং জামাল মিয়াসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মানববন্ধনে সূর্যবান বিবি অভিযোগ করেন, পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জন্য তাঁদের ওপর ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, সূর্যবান বিবির স্বামী মোস্তফা গাজী প্রতিবাদ করায় তাঁকেও গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়।
বক্তারা বলেন, পৈতৃক সম্পত্তিতে নারীদের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি কোনো ব্যক্তিকে ভয়ভীতি, হামলা বা জোরপূর্বক দলিল বা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর কিংবা টিপসই দিতে বাধ্য করার অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার অভিযোগ ও মানববন্ধনে উত্থাপিত বক্তব্যের সত্যতা তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের পুরান বাঁশতলা গ্রামে পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে তিন বোনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও মারধর করে জোরপূর্বক নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে মোস্তফা গাজী ও তাঁর স্বজনদের উদ্যোগে পুরান বাঁশতলা গ্রামের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত লোকজন অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ভুক্তভোগী মোস্তফা গাজী, সূর্যবান বিবি, এরশাদ আলী, নুর জাহান বেগম, আমেনা খাতুন, আব্দুল মনাফ, লোকমান হেকিম, মনফর আলী, শফিক মিয়া, সুরজ, মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, সিরাজুল ইসলাম, সুরুজ মিয়া ও মঈনুল হোসেনসহ অনেকে।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, চলতি বছরের ২৮ আগস্ট মোস্তফা গাজীর স্ত্রী সূর্যবান বিবি ও তাঁর দুই বোনকে পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে তাঁদের মারধর, ভয়ভীতি ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছয়টি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়া হয়। অভিযোগে নুরুল ইসলাম, আব্দুল জলিল, ঝর্ণা বেগম ও জামাল মিয়াসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাঁদের পিতা আনছর আলীর মৃত্যুর পর বাঁশতলা মৌজার জে.এল. নং-২, খতিয়ান নং-২৭ এবং ৮০১, ৮০২ ও ৮০৩ দাগভুক্ত জমি নিয়ে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। তাঁদের দাবি, রেকর্ডীয় প্রায় সাড়ে ৮ কেদার আমন রকম ভূমির মধ্যে প্রায় সাড়ে ৪ কেদার জমির অধিকার থেকে তিন বোনকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে তাঁদের কাছ থেকে ওই স্ট্যাম্পে টিপসই নেওয়া হয়েছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, সূর্যবান বিবি, তাঁর বোন নুর জাহান বেগম ও রুকিয়া বেগমসহ তাঁদের ভাই-বোনদের পিতা আনছর আলী জীবদ্দশায় উল্লিখিত জমি ভোগদখলে ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর পর সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তিন বোনকে বাকি সম্পত্তির অধিকার থেকেও বঞ্চিত করতে তাঁদের বিভিন্নভাবে হুমকি, হামলা ও মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় সূর্যবান বিবি বাদী হয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর দোয়ারাবাজার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলাটির সিআর নম্বর ৩৯৪/২৬। মামলায় তাঁর দুই ভাই নুরুল ইসলাম ও আব্দুল জলিল, ভাবী ঝর্ণা বেগম এবং জামাল মিয়াসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মানববন্ধনে সূর্যবান বিবি অভিযোগ করেন, পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জন্য তাঁদের ওপর ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, সূর্যবান বিবির স্বামী মোস্তফা গাজী প্রতিবাদ করায় তাঁকেও গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়।
বক্তারা বলেন, পৈতৃক সম্পত্তিতে নারীদের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি কোনো ব্যক্তিকে ভয়ভীতি, হামলা বা জোরপূর্বক দলিল বা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর কিংবা টিপসই দিতে বাধ্য করার অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে তদন্তসাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার অভিযোগ ও মানববন্ধনে উত্থাপিত বক্তব্যের সত্যতা তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।