Template: 2
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
লিংক channeljaintanews24.com ক্যাটাগরি সিলেট রিপোর্ট চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
সুরমা-কুশিয়ারায় তীর প্রতিরক্ষা, নদী পুনঃখনন ও বাঁধ নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প

নদীভাঙন ও বন্যা ঠেকাতে সিলেটে স্থায়ী সমাধানের পথে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

০১ অক্টোবর ২০২৬ • ১০:০৮ পূর্বাহ্ন

সিলেটে নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার দীর্ঘদিনের সমস্যা মোকাবিলায় স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সরকার। এর আওতায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণ, নদী পুনঃখনন, বাঁধ নির্মাণ এবং সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।


বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিলেট সদর উপজেলার কানিশাইলে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বাস্তবায়নাধীন ‘সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং বন্যা ও সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (১ম পর্যায়)’-এর আওতায় সুরমা নদীর ডানতীরের নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।


মন্ত্রী বলেন, সুরমা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে মীরের চক এলাকায় ৩০০ মিটার, মেহন্দিবাগে ৪০০ মিটার, কানিশাইলে ৫৫০ মিটার, টোকের বাজারে ৫০০ মিটার এবং মীরেরগাঁওয়ে ৫০০ মিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ রয়েছে।


তিনি জানান, সুরমা নদীর তীর সংরক্ষণের পাশাপাশি কুশিয়ারা ও বাসিয়া নদী পুনঃখনন, রিজিং এবং সারি ও আরশারিক নদীর তীর প্রতিরক্ষা কাজও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।


উন্নয়নকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ও মান নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। এ জন্য স্থানীয় মসজিদের ইমাম, স্কুলের প্রধান শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সমন্বয়ে তদারকি কমিটি গঠনের আহ্বান জানান তিনি।


উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনেরও আহ্বান জানান মন্ত্রী।


খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সিলেটের বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় ধরনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় সুরমা নদীর উভয় তীরে প্রায় ১৭ কিলোমিটার করে বাঁধ ও সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নগরবাসীর হাঁটার সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং নদীকেন্দ্রিক পর্যটনের নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হবে।


তিনি আরও বলেন, সিলেটের উন্নয়ন একটি সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়। সরকার, সিটি করপোরেশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।


সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সিলেটের নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার দীর্ঘদিনের সমস্যা মোকাবিলা করে টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন channeljaintanews24.com