হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে নিখোঁজের ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি ১০ বছর বয়সী মাদরাসাছাত্রী ফাবিয়া তাবাসসুম মীমের। সন্তানকে ফিরে না পেয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে তার পরিবারের। মীমের সন্ধানে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
নিখোঁজ ফাবিয়া তাবাসসুম মীম বানিয়াচং উপজেলার ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের চতুরঙ্গ রায়ের পাড়া এলাকার খোয়াজ আলী মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় দারুল হিকমাহ তা’লীমুল কুরআন একাডেমির তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রতিদিনের মতো সহপাঠীদের সঙ্গে মাদরাসায় যায় মীম। মাদরাসা ছুটির পর অন্য শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় গিয়ে খোঁজাখুঁজি করেন। সেখানে মীমের বই-খাতা ও ব্যাগ পাওয়া গেলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মীমের নিখোঁজের ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর বানিয়াচং থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে পরিবার। জিডি সূত্রে জানা যায়, মাদরাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হলেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরে মীমের সন্ধানে স্থানীয়ভাবে মাইকিং করা হয়। পাশাপাশি পাড়া-প্রতিবেশী ও স্বজনরা বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি চালিয়ে যাচ্ছেন। শিশুটির সন্ধানে স্থানীয়রা মানববন্ধনও করেছেন বলে জানা গেছে। তবে ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও তার সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
এদিকে মীম নিখোঁজের ঘটনাকে ঘিরে মাদরাসায় তার অবস্থান নিয়ে ভিন্ন তথ্যও সামনে এসেছে। মীমের স্বজনদের দাবি, কয়েকজন সহপাঠী তাকে বিকেল পর্যন্ত মাদরাসায় দেখেছে। অন্যদিকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সকালে মাদরাসায় আসার পর বিকেল ৩টার পর তাকে আর সেখানে দেখা যায়নি। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে সকালে মীমের মাদরাসায় প্রবেশ এবং বিকেলে বের হওয়ার দৃশ্য পাওয়া গেছে। তবে এরপর সে কোথায় গেছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মীমের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সন্তানের সন্ধান না পাওয়ায় তারা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। দ্রুত মীমকে খুঁজে বের করতে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা ও স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক জানান, মীমের নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। এর আগে পুলিশ জানায়, শিশুটির সন্ধানে একটি দল কাজ করছে এবং বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
মীমের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে নিখোঁজের ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও সন্ধান মেলেনি ১০ বছর বয়সী মাদরাসাছাত্রী ফাবিয়া তাবাসসুম মীমের। সন্তানকে ফিরে না পেয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে তার পরিবারের। মীমের সন্ধানে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
নিখোঁজ ফাবিয়া তাবাসসুম মীম বানিয়াচং উপজেলার ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নের চতুরঙ্গ রায়ের পাড়া এলাকার খোয়াজ আলী মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় দারুল হিকমাহ তা’লীমুল কুরআন একাডেমির তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রতিদিনের মতো সহপাঠীদের সঙ্গে মাদরাসায় যায় মীম। মাদরাসা ছুটির পর অন্য শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে পরিবারের সদস্যরা মাদরাসায় গিয়ে খোঁজাখুঁজি করেন। সেখানে মীমের বই-খাতা ও ব্যাগ পাওয়া গেলেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মীমের নিখোঁজের ঘটনায় ১৮ সেপ্টেম্বর বানিয়াচং থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে পরিবার। জিডি সূত্রে জানা যায়, মাদরাসা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হলেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরে মীমের সন্ধানে স্থানীয়ভাবে মাইকিং করা হয়। পাশাপাশি পাড়া-প্রতিবেশী ও স্বজনরা বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি চালিয়ে যাচ্ছেন। শিশুটির সন্ধানে স্থানীয়রা মানববন্ধনও করেছেন বলে জানা গেছে। তবে ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও তার সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
এদিকে মীম নিখোঁজের ঘটনাকে ঘিরে মাদরাসায় তার অবস্থান নিয়ে ভিন্ন তথ্যও সামনে এসেছে। মীমের স্বজনদের দাবি, কয়েকজন সহপাঠী তাকে বিকেল পর্যন্ত মাদরাসায় দেখেছে। অন্যদিকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সকালে মাদরাসায় আসার পর বিকেল ৩টার পর তাকে আর সেখানে দেখা যায়নি। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে সকালে মীমের মাদরাসায় প্রবেশ এবং বিকেলে বের হওয়ার দৃশ্য পাওয়া গেছে। তবে এরপর সে কোথায় গেছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
মীমের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সন্তানের সন্ধান না পাওয়ায় তারা উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। দ্রুত মীমকে খুঁজে বের করতে পুলিশের তৎপরতা আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা ও স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক জানান, মীমের নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। এর আগে পুলিশ জানায়, শিশুটির সন্ধানে একটি দল কাজ করছে এবং বিভিন্ন দিক বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
মীমের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।