Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ১১:২৮ অপরাহ্ন

শ্রীমঙ্গলে ২৫ হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে শেষ হলো বই পড়া উৎসব

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, শিক্ষার্থীদের চিন্তাশীল, সৃজনশীল ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দুই মাসব্যাপী ‘বই পড়া উৎসব-২০২৬’ শেষ হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবে উপজেলার ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়।


শনিবার সকালে শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবের চূড়ান্ত মূল্যায়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রায় ৭৪০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পাশাপাশি উন্মুক্ত বিভাগেও শতাধিক শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যাংকার, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।


সকাল থেকেই ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পাঠ্যবইয়ের বাইরে নির্ধারিত বই পড়ার পর কয়েক ধাপে অনুষ্ঠিত মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।


আয়োজক সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুলাই শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। ‘বই পড়ি, মন গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ও ইন্টারনেটনির্ভরতা কমানো, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং জ্ঞান ও মননের বিকাশ ঘটানোই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।


উৎসবটি ‘মুকুল’, ‘ফুল’ ও ‘ফল’—এই তিন ধাপে পরিচালিত হয়। প্রথম ধাপে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বই পড়ে মূল্যায়নী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরবর্তী ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং সর্বশেষে উপজেলার সেরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়।


শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ বইপড়া উৎসবের সমন্বয় সহযোগী হিসেবে ছিল ‘শ্রীমঙ্গল আবৃত্তি উৎসব’ এবং পাঠ সহযোগী হিসেবে ছিল ‘উত্তরণ পাঠাগার’। আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত করে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।


দুই মাসের এ আয়োজনকে ঘিরে শ্রীমঙ্গলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বইপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। চূড়ান্ত পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ব্যতিক্রমী এ বইপড়া উৎসব।

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, শিক্ষার্থীদের চিন্তাশীল, সৃজনশীল ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দুই মাসব্যাপী ‘বই পড়া উৎসব-২০২৬’ শেষ হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবে উপজেলার ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়।


শনিবার সকালে শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবের চূড়ান্ত মূল্যায়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রায় ৭৪০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। পাশাপাশি উন্মুক্ত বিভাগেও শতাধিক শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যাংকার, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।


সকাল থেকেই ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পাঠ্যবইয়ের বাইরে নির্ধারিত বই পড়ার পর কয়েক ধাপে অনুষ্ঠিত মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়।


আয়োজক সূত্রে জানা যায়, গত ২১ জুলাই শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। ‘বই পড়ি, মন গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ও ইন্টারনেটনির্ভরতা কমানো, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং জ্ঞান ও মননের বিকাশ ঘটানোই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।


উৎসবটি ‘মুকুল’, ‘ফুল’ ও ‘ফল’—এই তিন ধাপে পরিচালিত হয়। প্রথম ধাপে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী বই পড়ে মূল্যায়নী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরবর্তী ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং সর্বশেষে উপজেলার সেরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়।


শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ বইপড়া উৎসবের সমন্বয় সহযোগী হিসেবে ছিল ‘শ্রীমঙ্গল আবৃত্তি উৎসব’ এবং পাঠ সহযোগী হিসেবে ছিল ‘উত্তরণ পাঠাগার’। আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত করে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলাই এ আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।


দুই মাসের এ আয়োজনকে ঘিরে শ্রীমঙ্গলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বইপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়। চূড়ান্ত পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ব্যতিক্রমী এ বইপড়া উৎসব।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com