Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ০৮:১৮ অপরাহ্ন

হত্যার পরদিন অপ্রতিমের মায়ের সঙ্গে দেখা করে খুনিরা

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

কুমিল্লা:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকের ১৩ বছর বয়সী একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে নির্জন পাহাড়ি জঙ্গলে ডেকে নিয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান পরিকল্পনাকারী সাইফুল ইসলাম তুহিনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে অপ্রতিমের ব্যবহৃত আইফোনও।


রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, জিডির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও ডিবির জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়।


পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরও ঘাতকেরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে থাকে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে তুহিন, আনাস ও ফাহিম অপ্রতিমের বাসায় গিয়ে তার মা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের সঙ্গে দেখা করে সান্ত্বনা দেয়। এরপর তুহিন নিজ বাসায় স্বাভাবিক সময় কাটায়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা তাকে শনাক্ত করে আটক করেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রযুক্তির সহায়তায় অন্যদেরও গ্রেপ্তার করে।


গ্রেপ্তার চারজন হলেন—কুমিল্লা সিটির ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সানন্দা এলাকার সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫), কোতোয়ালি থানার হাতিগাড়া এলাকার মো. কামরুল হাসান এবং আফজাল খান ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র মো. সিয়াম (১৯)।


পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তুহিনের দেখানো স্থান থেকে অপ্রতিমের ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর অপ্রতিমকে মেসেজ পাঠিয়ে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তাকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে অপ্রতিম বাধা দেয়। এ সময় তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় এবং পরে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয় বলে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।


পুলিশ আরও জানায়, অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় জড়িতরা। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছে।


নিহত ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও ব্যবসায়ী কেএম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান। সে কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।


এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ী এলাকা থেকে অপ্রতিম নিখোঁজ হয়। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটের পাশে লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।


এ ঘটনায় পুলিশ, ডিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট তদন্তে যুক্ত হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর চারজনকে গ্রেপ্তার এবং অপ্রতিমের আইফোন উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

কুমিল্লা:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকের ১৩ বছর বয়সী একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে নির্জন পাহাড়ি জঙ্গলে ডেকে নিয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান পরিকল্পনাকারী সাইফুল ইসলাম তুহিনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে অপ্রতিমের ব্যবহৃত আইফোনও।


রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, জিডির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও ডিবির জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়।


পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরও ঘাতকেরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে থাকে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে তুহিন, আনাস ও ফাহিম অপ্রতিমের বাসায় গিয়ে তার মা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের সঙ্গে দেখা করে সান্ত্বনা দেয়। এরপর তুহিন নিজ বাসায় স্বাভাবিক সময় কাটায়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা তাকে শনাক্ত করে আটক করেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রযুক্তির সহায়তায় অন্যদেরও গ্রেপ্তার করে।


গ্রেপ্তার চারজন হলেন—কুমিল্লা সিটির ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সানন্দা এলাকার সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), ময়নামতি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫), কোতোয়ালি থানার হাতিগাড়া এলাকার মো. কামরুল হাসান এবং আফজাল খান ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র মো. সিয়াম (১৯)।


পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তুহিনের দেখানো স্থান থেকে অপ্রতিমের ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ সেপ্টেম্বর অপ্রতিমকে মেসেজ পাঠিয়ে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তাকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে অপ্রতিম বাধা দেয়। এ সময় তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় এবং পরে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয় বলে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে।


পুলিশ আরও জানায়, অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় জড়িতরা। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছে।


নিহত ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও ব্যবসায়ী কেএম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান। সে কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।


এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ী এলাকা থেকে অপ্রতিম নিখোঁজ হয়। পরদিন শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেটের পাশে লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।


এ ঘটনায় পুলিশ, ডিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট তদন্তে যুক্ত হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর চারজনকে গ্রেপ্তার এবং অপ্রতিমের আইফোন উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com