লছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন ও দুই লেনে উন্নীতকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টসংলগ্ন এলাকায় এ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য ও ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, ছাতক শিল্পনগরী ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এখানকার পাথর, সিমেন্টসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যায়। কিন্তু উন্নত সড়ক যোগাযোগের অভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।
তিনি বলেন, ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হলে ছাতকের সঙ্গে সিলেট, সুনামগঞ্জ, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত ও সহজ হবে। এর ফলে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটবে।
এমপি মিলন আরও বলেন, এর আগে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ছাতক পৌরসভার অংশে একই সড়কের চার লেন নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। আশা করছি, পুরো সড়কের নির্মাণকাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক সংস্কার ও আধুনিকায়ন ছিল এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে সবার দোয়া ও সমর্থনে জনগুরুত্বপূর্ণ এই মেগা প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছে। এটি কোনো একক ব্যক্তির সাফল্য নয়; বরং ছাতকের সর্বস্তরের মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশা পূরণের প্রতিফলন।
নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, জনগণের অর্থে বাস্তবায়নাধীন ১৭৪ কোটি টাকার এ প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে। স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধারাও নির্মাণকাজের তদারকিতে নজর রাখবেন।
অনুষ্ঠানে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (ছাতক) মো. শাহাদাৎ হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আশিকুর রহমান আশিক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফারুক আহমদ ও নজরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন, ছাতক পৌর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুর রহমান শামছু, উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল করিম বকুল, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল আলম মতি, জেলা বিএনপির সাবেক শিল্পবিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমিনসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কয়েছ আহমেদ, আতাউর রহমান এমরান, দিদার আলম, অ্যাডভোকেট আব্দুল কাহার, অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ, মতিউর রহমান, ফয়জুর রহমান, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক আব্দুল আলিম, বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জেলা যুবদল, উপজেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষকদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দোয়া পরিচালনা করেন রাধানগর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সামছুল কবির মিছবাহ।
তথ্য যাচাই সংক্রান্ত নোট
প্রকাশিত স্থানীয় সংবাদসূত্রগুলোতে ১৯ সেপ্টেম্বর সড়কটির দুই লেন নির্মাণকাজ উদ্বোধনের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে একটি প্রতিবেদনে প্রকল্প ব্যয় ১৬৪ কোটি টাকা এবং অন্য প্রতিবেদনে ১৭৪ কোটি টাকা উল্লেখ রয়েছে। প্রকাশের আগে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকল্প নথি থেকে চূড়ান্ত ব্যয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
লছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন ও দুই লেনে উন্নীতকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টসংলগ্ন এলাকায় এ নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য ও ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, ছাতক শিল্পনগরী ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল। এখানকার পাথর, সিমেন্টসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে যায়। কিন্তু উন্নত সড়ক যোগাযোগের অভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।
তিনি বলেন, ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের নির্মাণকাজ শেষ হলে ছাতকের সঙ্গে সিলেট, সুনামগঞ্জ, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত ও সহজ হবে। এর ফলে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটবে।
এমপি মিলন আরও বলেন, এর আগে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ছাতক পৌরসভার অংশে একই সড়কের চার লেন নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। আশা করছি, পুরো সড়কের নির্মাণকাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক সংস্কার ও আধুনিকায়ন ছিল এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে সবার দোয়া ও সমর্থনে জনগুরুত্বপূর্ণ এই মেগা প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছে। এটি কোনো একক ব্যক্তির সাফল্য নয়; বরং ছাতকের সর্বস্তরের মানুষের অধিকার ও প্রত্যাশা পূরণের প্রতিফলন।
নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থান তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, জনগণের অর্থে বাস্তবায়নাধীন ১৭৪ কোটি টাকার এ প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে। স্থানীয় জনগণ ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধারাও নির্মাণকাজের তদারকিতে নজর রাখবেন।
অনুষ্ঠানে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (ছাতক) মো. শাহাদাৎ হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আশিকুর রহমান আশিক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ফারুক আহমদ ও নজরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন, ছাতক পৌর বিএনপির আহ্বায়ক শামসুর রহমান শামছু, উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল করিম বকুল, যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল আলম মতি, জেলা বিএনপির সাবেক শিল্পবিষয়ক সম্পাদক রুহুল আমিনসহ বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কয়েছ আহমেদ, আতাউর রহমান এমরান, দিদার আলম, অ্যাডভোকেট আব্দুল কাহার, অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ, মতিউর রহমান, ফয়জুর রহমান, উপজেলা জাসাসের আহ্বায়ক আব্দুল আলিম, বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ, জেলা যুবদল, উপজেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও কৃষকদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় দোয়া পরিচালনা করেন রাধানগর দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা সামছুল কবির মিছবাহ।
তথ্য যাচাই সংক্রান্ত নোট
প্রকাশিত স্থানীয় সংবাদসূত্রগুলোতে ১৯ সেপ্টেম্বর সড়কটির দুই লেন নির্মাণকাজ উদ্বোধনের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে একটি প্রতিবেদনে প্রকল্প ব্যয় ১৬৪ কোটি টাকা এবং অন্য প্রতিবেদনে ১৭৪ কোটি টাকা উল্লেখ রয়েছে। প্রকাশের আগে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকল্প নথি থেকে চূড়ান্ত ব্যয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।