Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

অভিযোগের পরও শান্তিগঞ্জে রিং জালে মাছ শিকার

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ থলেরবন্দ জলমহালে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রশাসনের
ছবি

শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি


সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে ইজারাকৃত থলেরবন্দ জলমহালে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি (রিং জাল) দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মাছ শিকার অব্যাহত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এতে জলমহালের মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।


জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর থলেরবন্দ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক গোলাম আমিন শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিল্লোল চাকমার কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, সমিতিটি সংশ্লিষ্ট জলমহাল ইজারা নিয়ে ইজারার শর্ত অনুযায়ী মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ করে আসছে।


অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জলমহালে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু জলমহালের আশপাশে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি বা রিং জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করায় মাছের পোনা ও দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে। এতে জলমহালের মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবি করেছে সমিতি।


সমিতির অভিযোগে আরও বলা হয়, থলেরবন্দ জলমহালে একটি অভয়াশ্রম ও একটি বিল নার্সারি রয়েছে। নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ করা না হলে এসব সংরক্ষণ কার্যক্রমও ব্যাহত হতে পারে।


এদিকে, লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও থলেরবন্দ জলমহালে রিং জাল দিয়ে মাছ শিকারের ছবি পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এতে অভিযোগের পর কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল চাকমা বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


থলেরবন্দ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম আমিন বলেন, জলমহালের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধের পাশাপাশি জলমহালের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।


স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টদের মতে, জলমহালের মাছের প্রজনন ও দেশীয় মাছের বৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি। এ বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।

শান্তিগঞ্জ প্রতিনিধি


সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে ইজারাকৃত থলেরবন্দ জলমহালে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি (রিং জাল) দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মাছ শিকার অব্যাহত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এতে জলমহালের মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।


জানা গেছে, গত ১ সেপ্টেম্বর থলেরবন্দ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক গোলাম আমিন শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিল্লোল চাকমার কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে বলা হয়, সমিতিটি সংশ্লিষ্ট জলমহাল ইজারা নিয়ে ইজারার শর্ত অনুযায়ী মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ করে আসছে।


অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জলমহালে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু জলমহালের আশপাশে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি বা রিং জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করায় মাছের পোনা ও দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে। এতে জলমহালের মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবি করেছে সমিতি।


সমিতির অভিযোগে আরও বলা হয়, থলেরবন্দ জলমহালে একটি অভয়াশ্রম ও একটি বিল নার্সারি রয়েছে। নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধ করা না হলে এসব সংরক্ষণ কার্যক্রমও ব্যাহত হতে পারে।


এদিকে, লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও থলেরবন্দ জলমহালে রিং জাল দিয়ে মাছ শিকারের ছবি পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এতে অভিযোগের পর কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।


এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল চাকমা বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার বন্ধে শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”


থলেরবন্দ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম আমিন বলেন, জলমহালের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধের পাশাপাশি জলমহালের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।


স্থানীয় ও সংশ্লিষ্টদের মতে, জলমহালের মাছের প্রজনন ও দেশীয় মাছের বৈচিত্র্য রক্ষায় নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি। এ বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com