ঢাকা :: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে বাংলাদেশে একটি ‘গুজবের কারখানা’ স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নির্দিষ্ট সংবাদ প্রকাশের জন্য নির্দেশনা পাঠানো হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে দেশে একটি ‘গুজবের কারখানা’ স্থাপন করেছেন। তার দাবি, ওই কথিত ‘গুজবের কারখানা’ থেকে বিভিন্ন মিডিয়া হাউসে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়।
পাটওয়ারীর ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো গণমাধ্যম ওই নির্দেশনা অনুযায়ী সংবাদ প্রকাশ না করলে তাদের হুমকি দেওয়া হয়। তবে তাঁর এসব অভিযোগের পক্ষে প্রতিবেদনে কোনো স্বাধীন প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের পাল্টা বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন পদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। এ সময় তিনি তারেক রহমানের ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে রাশেদ খান, ‘মহিলা অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে মেঘনা আলম, ‘বুদ্ধিজীবী অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে জাহেদ এবং মিডিয়াবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে রেজাউল করিম রনির নাম উল্লেখ করেন।
তবে এসব বক্তব্য মূলত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অভিযোগ ও রাজনৈতিক মন্তব্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বা সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য এনপিবির প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
ঢাকা :: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে বাংলাদেশে একটি ‘গুজবের কারখানা’ স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নির্দিষ্ট সংবাদ প্রকাশের জন্য নির্দেশনা পাঠানো হয় বলেও দাবি করেন তিনি।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে দেশে একটি ‘গুজবের কারখানা’ স্থাপন করেছেন। তার দাবি, ওই কথিত ‘গুজবের কারখানা’ থেকে বিভিন্ন মিডিয়া হাউসে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়।
পাটওয়ারীর ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো গণমাধ্যম ওই নির্দেশনা অনুযায়ী সংবাদ প্রকাশ না করলে তাদের হুমকি দেওয়া হয়। তবে তাঁর এসব অভিযোগের পক্ষে প্রতিবেদনে কোনো স্বাধীন প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের পাল্টা বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন পদে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। এ সময় তিনি তারেক রহমানের ‘অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে রাশেদ খান, ‘মহিলা অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে মেঘনা আলম, ‘বুদ্ধিজীবী অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে জাহেদ এবং মিডিয়াবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে রেজাউল করিম রনির নাম উল্লেখ করেন।
তবে এসব বক্তব্য মূলত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অভিযোগ ও রাজনৈতিক মন্তব্য। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বা সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য এনপিবির প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।