Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ১০:৪০ অপরাহ্ন

তামাবিল রোডে সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ চোরাকারবারি নিয়ে সংবাদ করতে গিয়ে মারধর, মোবাইল-ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার দাবি
ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট:


সিলেটের শাহপরান (রহ.) থানাধীন তামাবিল রোডের পরগনা এলাকায় সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিক মো. রাজন আহমেদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে শাহপরান (রহ.) থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

অভিযোগকারী সাংবাদিক মো. রাজন আহমেদ জানান, গত কয়েক দিন ধরে তামাবিল রোড এলাকায় চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ও পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে আসছিলেন। এসব সংবাদ প্রকাশের জেরে অভিযুক্তরা তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর  রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পরগনা এলাকায় মাহেরা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনের সংবাদ সংগ্রহ করতে যান সাংবাদিক রাজন আহমেদ। এ সময় জুবায়ের আহমদ সায়েম (৩০), খলিল আহমদ (২৬)সহ অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জন সেখানে উপস্থিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র দা, রামদা, জিআই পাইপ ও লোহার রড নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। একপর্যায়ে তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে তাদের কবল থেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় অভিযুক্তরা তাঁকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে রাস্তাঘাটে সুযোগ পেলে প্রাণে হত্যা ও লাশ গুমসহ বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন সাংবাদিক রাজন আহমেদ।

রাজন আহমেদ বলেন, “চোরাকারবারিদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ঘটনার দিন সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে হঠাৎ করে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। আমাকে মারধর করার পাশাপাশি সঙ্গে থাকা ক্যামেরাটিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় দ্বিতীয় অভিযুক্ত খলিল আহমদ সাংবাদিক রাজন আহমেদের হাতে থাকা Samsung NX300 মডেলের একটি ক্যামেরা কেড়ে নেন। ক্যামেরাটির আনুমানিক মূল্য ৭০ হাজার টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে আশপাশের লোকজন তাঁকে সিএনজিযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে চিকিৎসা দেন। চিকিৎসা শেষে বিষয়টি সাংবাদিকদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে জানালে তাঁরা আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন বলে জানান রাজন আহমেদ।

এ ঘটনায় সাংবাদিক মো. রাজন আহমেদ বাদী হয়ে জুবায়ের আহমদ সায়েম ও খলিল আহমদসহ অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে শাহপরান (রহ.) থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের সঙ্গে মেডিকেল সনদের ছায়া কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শাহপরান (রহ.) থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফেরদৌস আহমদ বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট:


সিলেটের শাহপরান (রহ.) থানাধীন তামাবিল রোডের পরগনা এলাকায় সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিক মো. রাজন আহমেদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে শাহপরান (রহ.) থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

অভিযোগকারী সাংবাদিক মো. রাজন আহমেদ জানান, গত কয়েক দিন ধরে তামাবিল রোড এলাকায় চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ও পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে আসছিলেন। এসব সংবাদ প্রকাশের জেরে অভিযুক্তরা তাঁকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর  রাত আনুমানিক ১১টার দিকে পরগনা এলাকায় মাহেরা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনের সংবাদ সংগ্রহ করতে যান সাংবাদিক রাজন আহমেদ। এ সময় জুবায়ের আহমদ সায়েম (৩০), খলিল আহমদ (২৬)সহ অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জন সেখানে উপস্থিত হয়ে দেশীয় অস্ত্র দা, রামদা, জিআই পাইপ ও লোহার রড নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন। একপর্যায়ে তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে তাদের কবল থেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় অভিযুক্তরা তাঁকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে রাস্তাঘাটে সুযোগ পেলে প্রাণে হত্যা ও লাশ গুমসহ বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেন সাংবাদিক রাজন আহমেদ।

রাজন আহমেদ বলেন, “চোরাকারবারিদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ঘটনার দিন সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে হঠাৎ করে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। আমাকে মারধর করার পাশাপাশি সঙ্গে থাকা ক্যামেরাটিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার সময় দ্বিতীয় অভিযুক্ত খলিল আহমদ সাংবাদিক রাজন আহমেদের হাতে থাকা Samsung NX300 মডেলের একটি ক্যামেরা কেড়ে নেন। ক্যামেরাটির আনুমানিক মূল্য ৭০ হাজার টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে আশপাশের লোকজন তাঁকে সিএনজিযোগে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে চিকিৎসা দেন। চিকিৎসা শেষে বিষয়টি সাংবাদিকদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে জানালে তাঁরা আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন বলে জানান রাজন আহমেদ।

এ ঘটনায় সাংবাদিক মো. রাজন আহমেদ বাদী হয়ে জুবায়ের আহমদ সায়েম ও খলিল আহমদসহ অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে শাহপরান (রহ.) থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের সঙ্গে মেডিকেল সনদের ছায়া কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে শাহপরান (রহ.) থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফেরদৌস আহমদ বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com