Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ১১:৩১ পূর্বাহ্ন

জৈন্তাপুরে বিজিবির মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সড়ক অবরোধ

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ পান-সুপারি আটকের প্রতিবাদে যুবদলসহ ক্ষুব্ধ জনতার বিক্ষোভ, ৩০-৪০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ
ছবি

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি:

সিলেটের জৈন্তাপুরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কামাল আহমদসহ স্থানীয় কয়েকজন সরকার দলীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে বিজিবির দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং শ্রীপুর মোকামপুঞ্জি খাসিয়া পল্লীর ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বাগান থেকে নিয়ে আসা বৈধ পান-সুপারি রাজবাড়ি বিওপির বিজিবি ক্যাম্প কর্তৃক রাস্তায় আটক বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন যুবদলসহ ক্ষুব্ধ জনতা।


শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলা সদরে এ সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সড়ক অবরোধ করে রাখায় রাস্তার উভয় পাশে শতাধিক ছোট-বড় যানবাহন আটকা পড়ে। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।


অবরোধের খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মুহিবুল হক মুহিব, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েলসহ বিএনপি ও যুবদলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।


তারা ক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করেন এবং প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করেন। পরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।


অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন, বিজিবি বিভিন্ন সময়ে শ্রীপুর মোকামপুঞ্জি খাসিয়া পল্লীর ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বাগান থেকে উৎপাদিত বৈধ পান-সুপারি রাস্তায় আটক করে হয়রানি করছে। তারা অবিলম্বে বৈধ পান-সুপারি আটক বন্ধ এবং এ ধরনের হয়রানি থেকে বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীদের রেহাই দেওয়ার দাবি জানান।


একই সঙ্গে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কামাল আহমদসহ অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিজিবির দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান তারা।


এ বিষয়ে ১৯ বিজিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে আটক করা পানগুলো অবৈধ ছিল। বিজিবি সদস্যরা পানগুলো আটকের সময় এর মালিক পালিয়ে যায় বলেও দাবি করেছে সূত্রটি।


ফলে পানগুলো বৈধ না অবৈধ—এ নিয়ে আন্দোলনকারীদের অভিযোগের বিপরীতে বিজিবির বক্তব্যে ভিন্ন দাবি উঠে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।


স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা এবং নিরীহ কেউ হয়রানির শিকার হয়ে থাকলে তা বন্ধ করা হোক।

জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি:

সিলেটের জৈন্তাপুরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কামাল আহমদসহ স্থানীয় কয়েকজন সরকার দলীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে বিজিবির দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং শ্রীপুর মোকামপুঞ্জি খাসিয়া পল্লীর ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বাগান থেকে নিয়ে আসা বৈধ পান-সুপারি রাজবাড়ি বিওপির বিজিবি ক্যাম্প কর্তৃক রাস্তায় আটক বন্ধের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন যুবদলসহ ক্ষুব্ধ জনতা।


শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলা সদরে এ সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সড়ক অবরোধ করে রাখায় রাস্তার উভয় পাশে শতাধিক ছোট-বড় যানবাহন আটকা পড়ে। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।


অবরোধের খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মুহিবুল হক মুহিব, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েলসহ বিএনপি ও যুবদলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।


তারা ক্ষুব্ধ জনতাকে শান্ত করেন এবং প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করেন। পরে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যায়।


অবরোধকারীরা অভিযোগ করেন, বিজিবি বিভিন্ন সময়ে শ্রীপুর মোকামপুঞ্জি খাসিয়া পল্লীর ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর বাগান থেকে উৎপাদিত বৈধ পান-সুপারি রাস্তায় আটক করে হয়রানি করছে। তারা অবিলম্বে বৈধ পান-সুপারি আটক বন্ধ এবং এ ধরনের হয়রানি থেকে বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীদের রেহাই দেওয়ার দাবি জানান।


একই সঙ্গে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কামাল আহমদসহ অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিজিবির দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান তারা।


এ বিষয়ে ১৯ বিজিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে আটক করা পানগুলো অবৈধ ছিল। বিজিবি সদস্যরা পানগুলো আটকের সময় এর মালিক পালিয়ে যায় বলেও দাবি করেছে সূত্রটি।


ফলে পানগুলো বৈধ না অবৈধ—এ নিয়ে আন্দোলনকারীদের অভিযোগের বিপরীতে বিজিবির বক্তব্যে ভিন্ন দাবি উঠে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।


স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা এবং নিরীহ কেউ হয়রানির শিকার হয়ে থাকলে তা বন্ধ করা হোক।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com