সিলেট : সিলেটে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় দায়িত্ব দেওয়ার পর এবার ক্রীড়াঙ্গনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক চার নেতা। সম্প্রতি গঠিত সিলেট জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাত সদস্যের অ্যাডহক কমিটিতে দুজন করে সাবেক ছাত্রদল নেতা স্থান পেয়েছেন।
তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি চারজনই দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তাদের দক্ষতা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দলীয় ব্যক্তিদের দায়িত্ব দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) সম্প্রতি সিলেট জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন করে। ৭ সেপ্টেম্বর জেলা ক্রীড়া সংস্থার এবং ১০ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নতুন অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন ও সংবাদ প্রতিবেদনে কমিটিগুলোর সদস্যদের তথ্যও নিশ্চিত হয়েছে।
বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থায় পাপলু-মওদুদ
১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাত সদস্যের অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে পদাধিকারবলে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারকে সভাপতি এবং স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়াবিদ সিদ্দিকুর রহমান পাপলুকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ।
সিদ্দিকুর রহমান পাপলু সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। অন্যদিকে মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি একসময় খেলাধুলার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জেলা ক্রীড়া সংস্থায় নাচন-মকসুদ
এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাত সদস্যের অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। এতে সিলেটের জেলা প্রশাসককে সভাপতি এবং সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠক রেজাউল করিম নাচনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্থানীয় ক্রীড়াবিদ মকসুদ আহমদ।
রেজাউল করিম নাচন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মকসুদ আহমদও ছাত্রদলের সাবেক নেতা এবং বর্তমানে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলে আপনার দেওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রকাশিত জেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটির প্রজ্ঞাপনে তাকে ‘স্থানীয় ক্রীড়াবিদ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএনপির আরও পাঁচ নেতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে
বিএনপি সরকার গঠনের পর সিলেটের আরও পাঁচ নেতাকে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
তাদের মধ্যে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীমকে সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক, মহানগর বিএনপির সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকীকে সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এছাড়া বিএনপি নেতা মো. বদরুজ্জামান সেলিমকে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে বদরুজ্জামান সেলিমের জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মাধ্যমে হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন’
বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, দলের নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হলেও কেবল রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটিতে স্থান পাওয়া চারজনেরই ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে।
নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য
সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রেজাউল করিম নাচন বলেন, তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে ক্রীড়া সংস্থাকে গতিশীল করা। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর কমিটির সদস্যরা দ্রুত বসে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন।
তিনি জানান, তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কথা রয়েছে। তিনি সিলেট ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলা ও ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকায় কীভাবে ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেওয়া যায় এবং নির্বাচন আয়োজন করা যায়, সে বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
দলীয়করণের অভিযোগ
তবে বিএনপির নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার ধারাবাহিকতা নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের অভিযোগ, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবের মধ্যে নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে বিএনপির নেতারা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলছেন, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সিলেটের ক্রীড়া সংস্থার নতুন অ্যাডহক কমিটির ক্ষেত্রে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রজ্ঞাপনে কমিটিগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ফলে নতুন কমিটির সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হবে ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রম গতিশীল করার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজন করা।
সিলেট : সিলেটে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় দায়িত্ব দেওয়ার পর এবার ক্রীড়াঙ্গনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক চার নেতা। সম্প্রতি গঠিত সিলেট জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাত সদস্যের অ্যাডহক কমিটিতে দুজন করে সাবেক ছাত্রদল নেতা স্থান পেয়েছেন।
তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি চারজনই দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তাদের দক্ষতা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দলীয় ব্যক্তিদের দায়িত্ব দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) সম্প্রতি সিলেট জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন করে। ৭ সেপ্টেম্বর জেলা ক্রীড়া সংস্থার এবং ১০ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার নতুন অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন ও সংবাদ প্রতিবেদনে কমিটিগুলোর সদস্যদের তথ্যও নিশ্চিত হয়েছে।
বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থায় পাপলু-মওদুদ
১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান খান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাত সদস্যের অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে পদাধিকারবলে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারকে সভাপতি এবং স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক ও ক্রীড়াবিদ সিদ্দিকুর রহমান পাপলুকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ।
সিদ্দিকুর রহমান পাপলু সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। অন্যদিকে মোস্তফা কামাল পাশা মওদুদ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি একসময় খেলাধুলার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জেলা ক্রীড়া সংস্থায় নাচন-মকসুদ
এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাত সদস্যের অ্যাডহক কমিটি অনুমোদন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। এতে সিলেটের জেলা প্রশাসককে সভাপতি এবং সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠক রেজাউল করিম নাচনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অপর সদস্য হিসেবে রয়েছেন স্থানীয় ক্রীড়াবিদ মকসুদ আহমদ।
রেজাউল করিম নাচন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর বিএনপির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন সিলেটের ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। মকসুদ আহমদও ছাত্রদলের সাবেক নেতা এবং বর্তমানে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক বলে আপনার দেওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রকাশিত জেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটির প্রজ্ঞাপনে তাকে ‘স্থানীয় ক্রীড়াবিদ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএনপির আরও পাঁচ নেতা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে
বিএনপি সরকার গঠনের পর সিলেটের আরও পাঁচ নেতাকে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
তাদের মধ্যে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীমকে সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক, মহানগর বিএনপির সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীকে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকীকে সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান করা হয়েছে। এছাড়া বিএনপি নেতা মো. বদরুজ্জামান সেলিমকে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে বদরুজ্জামান সেলিমের জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মাধ্যমে হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন’
বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, দলের নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হলেও কেবল রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততাও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটিতে স্থান পাওয়া চারজনেরই ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে।
নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য
সিলেট জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রেজাউল করিম নাচন বলেন, তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে ক্রীড়া সংস্থাকে গতিশীল করা। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর কমিটির সদস্যরা দ্রুত বসে পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করবেন।
তিনি জানান, তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কথা রয়েছে। তিনি সিলেট ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে খেলাধুলা ও ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকায় কীভাবে ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নেওয়া যায় এবং নির্বাচন আয়োজন করা যায়, সে বিষয়ে তার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
দলীয়করণের অভিযোগ
তবে বিএনপির নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার ধারাবাহিকতা নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের অভিযোগ, সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবের মধ্যে নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে বিএনপির নেতারা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলছেন, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সিলেটের ক্রীড়া সংস্থার নতুন অ্যাডহক কমিটির ক্ষেত্রে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রজ্ঞাপনে কমিটিগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ফলে নতুন কমিটির সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হবে ক্রীড়া সংস্থার কার্যক্রম গতিশীল করার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচনের আয়োজন করা।