Template: 1
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
logo
channeljaintanews24.com
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৬:২৭ অপরাহ্ন
channeljaintanews24@gmail.com

পর্তুগাল বিমানবন্দরে নতুন সীমান্তনিয়ম, নন-ইইউ যাত্রীদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ বাধ্যতামূলক

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
🕒 বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৬:২৭ অপরাহ্ন

মো. জুনেদ আহমদ, ফ্রান্স

পর্তুগালের বিমানবন্দরগুলোতে নন-ইইউ নাগরিকদের সীমান্ত পারাপারের নিয়মে বড় পরিবর্তন এসেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন এন্ট্রি-এক্সিট সিস্টেম (EES) অনুযায়ী, শেনজেন এলাকায় স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারী নন-ইইউ নাগরিকদের পাসপোর্টের তথ্যের পাশাপাশি মুখের ছবি ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রবেশ ও প্রস্থানের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।


ইউরোপীয় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, EES-এর কার্যক্রম ১২ অক্টোবর ২০২৫ থেকে ধাপে ধাপে শুরু হয়। ছয় মাসের পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়ন শেষে ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শেনজেন এলাকার বহির্সীমার সংশ্লিষ্ট সীমান্তগুলোতে সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়। পর্তুগালের বিমান ও সমুদ্রবন্দরও এই ব্যবস্থার আওতাভুক্ত।


নতুন ব্যবস্থায় স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারীদের পাসপোর্টে আগের মতো হাতে প্রবেশ বা প্রস্থানের সিল দেওয়ার পরিবর্তে এসব তথ্য ডিজিটালভাবে নিবন্ধন করা হচ্ছে। প্রথমবার সীমান্ত অতিক্রমের সময় ভ্রমণ নথির তথ্য, মুখের ছবি ও আঙুলের ছাপসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সিস্টেমে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তী প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।


EES-এর অন্যতম উদ্দেশ্য হলো শেনজেন এলাকায় স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারীদের অবস্থানের সময়সীমা পর্যবেক্ষণ করা এবং নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থানকারী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা। সাধারণভাবে স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণকারীদের জন্য ১৮০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ দিন অবস্থানের নিয়ম রয়েছে। নতুন ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি পরিচয় ও নথি জালিয়াতি শনাক্ত করাও সহজ হবে।


তবে সব নন-ইইউ নাগরিকের ক্ষেত্রে EES একইভাবে প্রযোজ্য নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকদের পাশাপাশি আইসল্যান্ড, লিশটেনস্টাইন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের নাগরিকরা এই নিবন্ধনের আওতাভুক্ত নন। এছাড়া বৈধ দীর্ঘমেয়াদি ভিসা বা আবাসিক অনুমতিপত্রধারী অধিকাংশ নন-ইইউ নাগরিকও EES নিবন্ধন থেকে অব্যাহতি পান।


নতুন ব্যবস্থার বাস্তবায়নের ফলে ইউরোপের বিভিন্ন সীমান্তে বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের কারণে অতিরিক্ত অপেক্ষা ও বিলম্বের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পর্তুগালেও নন-ইইউ যাত্রীদের সীমান্ত পারাপারে অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। পর্তুগাল সরকার জানিয়েছে, প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ, জনবল বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।


পর্তুগালের বিমান ও সমুদ্রবন্দরে EES পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হওয়ায় দেশটিতে ভ্রমণকারী নন-ইইউ নাগরিকদের নতুন নিয়ম সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বিমানবন্দরে বায়োমেট্রিক তথ্য নিবন্ধনের কারণে সম্ভাব্য অতিরিক্ত সময় বিবেচনায় নিয়ে পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে বিমানবন্দরে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ।


পর্তুগাল বা অন্য কোনো শেনজেন দেশের বিমানবন্দর দিয়ে ভ্রমণের ক্ষেত্রে নন-ইইউ যাত্রীদের বৈধ পাসপোর্ট, প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বৈধ ভিসা বা আবাসিক অনুমতিপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম সম্পর্কে আগে থেকে ধারণা থাকলে সীমান্ত পারাপারের সময় অপ্রত্যাশিত জটিলতা ও বিলম্ব এড়ানো সহজ হবে।

ছবি
channeljaintanews24.com
logo
ভিজিট করুন
০৯.০৯.২০২৬
© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
channeljaintanews24.com