Template: 3
Tpl 1 Tpl 2 Tpl 3
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ · ০৩:৩৩ অপরাহ্ন

নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই সিলেটে চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
ছবি

অনলাইন ডেস্ক।

সিলেট নগরীর মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত (৩১) নামে এক চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মির্জাজাঙ্গাল এলাকার ‘স্বপ্নিল-২০’ নম্বর বহুতল ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


নিহত পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত মির্জাজাঙ্গাল এলাকার পুনেন্দ্র চক্রবর্তীর ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রীও পেশায় চিকিৎসক। জানা গেছে, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা ওই বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন। পরদিনই বাসার ভেতর থেকে প্রান্তের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় প্রান্তকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের পক্ষ থেকে মানসিক সমস্যার কারণে প্রান্ত এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটিও এখনো নিশ্চিত নয়; তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।


এদিকে, সোমবার বিকেলে ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। ফ্ল্যাটটি তালাবদ্ধ ছিল। এর আগেই মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সোমবার রাত পর্যন্ত ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়নি এবং এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দায়েরের তথ্যও পাওয়া যায়নি।


পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

অনলাইন ডেস্ক।

সিলেট নগরীর মির্জাজাঙ্গাল এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত (৩১) নামে এক চিকিৎসকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মির্জাজাঙ্গাল এলাকার ‘স্বপ্নিল-২০’ নম্বর বহুতল ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


নিহত পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত মির্জাজাঙ্গাল এলাকার পুনেন্দ্র চক্রবর্তীর ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রীও পেশায় চিকিৎসক। জানা গেছে, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা ওই বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে ওঠেন। পরদিনই বাসার ভেতর থেকে প্রান্তের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।


পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় প্রান্তকে জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের পক্ষ থেকে মানসিক সমস্যার কারণে প্রান্ত এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটিও এখনো নিশ্চিত নয়; তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।


এদিকে, সোমবার বিকেলে ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। ফ্ল্যাটটি তালাবদ্ধ ছিল। এর আগেই মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সোমবার রাত পর্যন্ত ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়নি এবং এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দায়েরের তথ্যও পাওয়া যায়নি।


পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

© চ্যানেল জৈন্তা নিউজ
channeljaintanews24.com