নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট: জাতীয় পর্যায়ের উশু প্রতিযোগিতায় সিলেটের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে ‘চাইনিজ উশু ফাইটার স্কুল, সিলেট’-এর সাত খেলোয়াড়। ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘৮ম চায়না এম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ অংশ নিচ্ছে সিলেটের এ দলটি।
বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী প্রতিযোগিতাটি ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন ক্লাবের খেলোয়াড়রা অংশ নিচ্ছেন। উদ্বোধনের দিন ১৯টি ক্লাবের ২৭৯ জন খেলোয়াড় অংশ নেওয়ার তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস)।
দলগত তাউলু ইভেন্টে সিলেটের প্রতিনিধিত্ব
চাইনিজ উশু ফাইটার স্কুলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিলেটের দলটি জাতীয় পর্যায়ের এই আসরে ‘দলগত তাউলু উশু প্রদর্শন’ ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এ ইভেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য সাত সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে।
দলে রয়েছেন—মো. তোফায়েল হোসেন, মো. আরাফাত হোসেন, মো. রিফাত হোসেন, জোনাকী তানহা নুসরাত জাহান নদী, সাজনিন আক্তার সাদিয়া, মিশ্রাত জাহান আনিসা ও রাইয়ান ইসলাম সাইদ।
দলের ম্যানেজার মো. জাকির আহমদ এবং কোচ শরীফা আক্তার হেনা। জাতীয় পর্যায়ের এই আসরকে সামনে রেখে খেলোয়াড়রা দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলন করে নিজেদের প্রস্তুত করেছেন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সিলেটের উশু খেলোয়াড়দের নিয়ে আশাবাদ
সাম্প্রতিক স্থানীয় প্রতিযোগিতাগুলোতে দলটির খেলোয়াড়দের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় জাতীয় পর্যায়েও ভালো ফলাফলের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের লক্ষ্য শুধু প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নয়, বরং দলগত তাউলু ইভেন্টে দক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে সিলেটের উশুকে জাতীয় পর্যায়ে আরও পরিচিত করে তোলা।
এদিকে এবারের চায়না এম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপের মূল লক্ষ্য হিসেবে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ উশু ফেডারেশন। ফেডারেশন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক জয়ের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উশুর উন্নয়নে কাজ করছে বলেও জানিয়েছে।
সিলেটের সাত খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণকে ঘিরে তাই স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। জাতীয় মঞ্চে নিজেদের সেরাটা দিয়ে সিলেটের জন্য সাফল্য বয়ে আনতে প্রস্তুত দলটি।
তথ্য যাচাই: সিলেটের দল ও খেলোয়াড়দের তথ্য স্থানীয় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি/প্রতিবেদন এবং প্রতিযোগিতার আয়োজন ও সময়সূচি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (BSS) ও অন্যান্য প্রকাশিত প্রতিবেদনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট: জাতীয় পর্যায়ের উশু প্রতিযোগিতায় সিলেটের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছে ‘চাইনিজ উশু ফাইটার স্কুল, সিলেট’-এর সাত খেলোয়াড়। ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘৮ম চায়না এম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এ অংশ নিচ্ছে সিলেটের এ দলটি।
বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী প্রতিযোগিতাটি ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন ক্লাবের খেলোয়াড়রা অংশ নিচ্ছেন। উদ্বোধনের দিন ১৯টি ক্লাবের ২৭৯ জন খেলোয়াড় অংশ নেওয়ার তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস)।
দলগত তাউলু ইভেন্টে সিলেটের প্রতিনিধিত্ব
চাইনিজ উশু ফাইটার স্কুলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিলেটের দলটি জাতীয় পর্যায়ের এই আসরে ‘দলগত তাউলু উশু প্রদর্শন’ ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এ ইভেন্টে অংশ নেওয়ার জন্য সাত সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে।
দলে রয়েছেন—মো. তোফায়েল হোসেন, মো. আরাফাত হোসেন, মো. রিফাত হোসেন, জোনাকী তানহা নুসরাত জাহান নদী, সাজনিন আক্তার সাদিয়া, মিশ্রাত জাহান আনিসা ও রাইয়ান ইসলাম সাইদ।
দলের ম্যানেজার মো. জাকির আহমদ এবং কোচ শরীফা আক্তার হেনা। জাতীয় পর্যায়ের এই আসরকে সামনে রেখে খেলোয়াড়রা দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলন করে নিজেদের প্রস্তুত করেছেন বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সিলেটের উশু খেলোয়াড়দের নিয়ে আশাবাদ
সাম্প্রতিক স্থানীয় প্রতিযোগিতাগুলোতে দলটির খেলোয়াড়দের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় জাতীয় পর্যায়েও ভালো ফলাফলের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের লক্ষ্য শুধু প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নয়, বরং দলগত তাউলু ইভেন্টে দক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে সিলেটের উশুকে জাতীয় পর্যায়ে আরও পরিচিত করে তোলা।
এদিকে এবারের চায়না এম্বাসেডর কাপ উশু চ্যাম্পিয়নশিপের মূল লক্ষ্য হিসেবে তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ উশু ফেডারেশন। ফেডারেশন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পদক জয়ের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে উশুর উন্নয়নে কাজ করছে বলেও জানিয়েছে।
সিলেটের সাত খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণকে ঘিরে তাই স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। জাতীয় মঞ্চে নিজেদের সেরাটা দিয়ে সিলেটের জন্য সাফল্য বয়ে আনতে প্রস্তুত দলটি।
তথ্য যাচাই: সিলেটের দল ও খেলোয়াড়দের তথ্য স্থানীয় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি/প্রতিবেদন এবং প্রতিযোগিতার আয়োজন ও সময়সূচি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (BSS) ও অন্যান্য প্রকাশিত প্রতিবেদনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে।