ছাতক প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম নৈনগাঁও ও নৈনগাঁও (মাঝপাড়া) গ্রামের মধ্যবর্তী সংযোগ ব্রিজের ওপর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের পূর্ব বিরোধের জের ধরে পশ্চিম নৈনগাঁও গ্রামের মো. শামীম মিয়ার পক্ষ এবং নৈনগাঁও (মাঝপাড়া) গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে পশ্চিম নৈনগাঁওয়ের শামীম মিয়া, মইন উদ্দিন, ফয়েজ মিয়া, খলিল মিয়া, আঙ্গুর মিয়া, সোহেল মিয়া, বাবুল মিয়া ও ফুলতারা বেগম রয়েছেন।
অন্যদিকে নৈনগাঁও (মাঝপাড়া) এলাকার সেলিম মিয়া, নিজাম উদ্দিন, লিয়াকত আলী, আল আমিন, রহিমা বেগম, ফরিদ মিয়া ও জহুর আলীসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা ২২ জন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পুলিশ ও অন্যান্য প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা প্রায় ২০ জন বলা হয়েছে।
দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ছাতক প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দোয়ারাবাজার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম নৈনগাঁও ও নৈনগাঁও (মাঝপাড়া) গ্রামের মধ্যবর্তী সংযোগ ব্রিজের ওপর এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিনের পূর্ব বিরোধের জের ধরে পশ্চিম নৈনগাঁও গ্রামের মো. শামীম মিয়ার পক্ষ এবং নৈনগাঁও (মাঝপাড়া) গ্রামের মো. সেলিম মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ তরিকুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে পশ্চিম নৈনগাঁওয়ের শামীম মিয়া, মইন উদ্দিন, ফয়েজ মিয়া, খলিল মিয়া, আঙ্গুর মিয়া, সোহেল মিয়া, বাবুল মিয়া ও ফুলতারা বেগম রয়েছেন।
অন্যদিকে নৈনগাঁও (মাঝপাড়া) এলাকার সেলিম মিয়া, নিজাম উদ্দিন, লিয়াকত আলী, আল আমিন, রহিমা বেগম, ফরিদ মিয়া ও জহুর আলীসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা ২২ জন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পুলিশ ও অন্যান্য প্রতিবেদনে আহতের সংখ্যা প্রায় ২০ জন বলা হয়েছে।
দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।